× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

নিউজিল্যান্ডে একাধিক মসজিদে গুলিতে বহু হতাহত, আটক নারীসহ ৪

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, ১০:৫৮

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকার কমপক্ষে দুটি মসজিদে বন্দুকধারীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহত হয়েছে বহু মানুষ। নিউজিল্যান্ডের সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মসজিদে হামলায় ৯ থেকে ২৭ জনের মত নিহত হয়েছে। তবে এ সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ৩ বাংলাদেশির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে এখন পর্যন্ত ১ নারী সহ ৪ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের একাউন্ট থেকে ইতিমধ্যে এ খবর নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিউজিল্যান্ডের মসজিদগুলোতে শুক্রবারই সবথেকে বেশি মানুষ নামাজ পড়তে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারী একাই অস্ত্র হাতে নিয়ে গুলি ছুড়তে শুরু করেন। ইতিমধ্যে পুলিশ ওই হামলাকারীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশ করেছে। তার নাম ব্রেন্টন ট্যারান্ট ফ্রম। সে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। হামলার পর এর সমর্থনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৮৭ পাতার একটি ঘোষণা প্রকাশ করে সন্ত্রাসীরা। পুলিশ বলছে ওই একাউন্টের মালিকও হামলায় যুক্ত ছিল। ঘোষণায় তারা, মুসলিম শরনার্থী বিদ্বেষী বক্তব্য তুলে ধরে। তবে এতে কারো কোনো সাক্ষর ছিল না।
হামলার পর এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আরডার্ন বলেন, এটি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম কালো দিন। নিশ্চিতভাবেই যা ঘটেছে তা অস্বাভাবিক ও ভয়াবহ মাত্রার অপরাধ। এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা যায়নি। এখনো হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনীর পোষাক পরা একজন অটোমেটিক রাইফেল দিয়ে হামলা চালায়। আল নুর মসজিদে ঢুকে প্রার্থনারত মানুষদের এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। এ ছাড়া অন্য একটি মসজিদেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
নিউজিল্যান্ডের পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আমি যতদূর জেনেছি একাধিক মসজিদে হামলা হয়েছে। আপাতত সকলের মসজিদ থেকে দূরে থাকা উচিত। এর আগে পুলিশ জানিয়েছে যে, তারা ওই বন্দুকধারীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। পুলিশ তার সর্ব শক্তি নিয়োগ করেছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়ন্ত্রণে কিন্তু এখনো ঝুকিপূর্ন অবস্থা রয়েছে। তিনি আরো জানিয়েছেন, মসজিদের পাশ থেকে বিপুল পরিমানে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ। মসজিদের পাশেই একটি গাড়িতে বিস্ফোরক রাখা ছিল।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, একজন বন্দুকধারী ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি পার্ক জেলার একটি মসজিদের মধ্যে ‘ওপেন ফায়ার’ করেছে। রেডিও নিউজিল্যান্ডে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, তিনি প্রচন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান এবং সেখানে শুধু রক্ত ছিল। উভয় মসজিদেই এখন পুলিশ অবস্থান করছে। ইতিমধ্যে ওই এলাকার সকল স্কুল ও কাউন্সিল ভবন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ক্রাইস্টচার্চের এক এমপি অ্যামি অ্যাডামস বলেন, মসজিদে হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত বোধ করছি। এ ধরণের ঘৃণার কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আ
১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:২১

পশ্চিমা বিশ্ব কোথায় আজ?কোথায় আজ তথাকথিত বিশ্ব বিবেক?প্রার্থনারত মুসলিমকে হত্যা করা হলো,তারপরও কিছু কুলাঙ্গার বলবে,না,মুসলিমরা সন্ত্রাসী ছিল।হে আল্লাহ,আপনি আমাদেরকে ভাই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার শক্তি দিন।আমিন।

অন্যান্য খবর