× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার

ধামরাইয়ে অপহরণের ১৭ দিন পর লাশ মিললো নদীতে

বাংলারজমিন

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি: | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৭:৫১

ধামরাইয়ে বিপ্লব হোসেন (৩৮) নামে এক যুবকের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রকাশ্যে অপহরণ করে দৃর্বৃত্তরা। ১৭ দিন পর গত বৃহস্পতিবার সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের মুশুরীখোলা গ্রামের পাশের নদী থেকে গলায় রশি পেঁচানো পেটফাড়া লাশ উদ্ধার করে ধামরাই থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ধামরাইয়ের যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজুর ছেলে জাহিদ হাসান দীপুকে পুলিশ আটক করেছে।
জানা গেছে, গত ২৫শে ফেব্রয়ারি দুপুর দুইটার দিকে ধামরাইয়ের আমছিমোর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বিপ্লব ও প্রতিবেশী কৃষক আবদুল গনিকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে স্থানীয় গোমগ্রাম বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা (বিপ্লব ও গনি) গোমগ্রামের ভিতরে সড়কের মধ্যে আড়াআড়ি করে রাখা একটি মাইক্রোবাসকে পাশ কাটিয়ে বাজারের দিকে যেতে থাকেন। এরপর তাদের পিছু নেয় দু’টি মোটরসাইকেলে থাকা চারজন আরোহী। একপর্যায়ে তাদের ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেল থেকে বিপ্লব ও গনিকে ফেলে দেয় অস্ত্রধারীরা। পরে গনিকে গুলি করে হত্যা করার ভয় দেখিয়ে বিপ্লবকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রথমে থানা পুলিশ জিডি নেয়নি। পরে নিখোঁজের সংবাদ উল্লেখ করা হলে বুধবার রাতে পুলিশ জিডি গ্রহণ করেছে বলে জানান বিপ্লবের স্ত্রী জিয়াসমিন আক্তার। ধামরাই থানার জিডি নং- ১২০২। তুলে নেয়ার সময় বিপ্লবের সঙ্গে থাকা আবদুল গনি বলেন, গোমগ্রাম বাজারে যাওয়ার পথে সড়কে আড়াআড়ি করে রাখা একটি মাইক্রোবাস ও দু’টি মোটরসাইকেল দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে আমাদের মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেয়। এরপরই বিপ্লবকে কিলঘুষি দিয়ে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। কথা বললে গুলি করে হত্যা করা হবে বলেও আমাকে হুমকি দেয় তারা। এর আগে ২৭শে ফেব্রয়ারি বিপ্লবের স্ত্রীর কাছে মোবাইল ফোনে বিপ্লবের মুক্তিপণ হিসেবে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে যাদবপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন, আমড়াইল গ্রামের আবু হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, আবদুল করিমের ছেলে মফিজুল ইসলাম, পুলিশ এদের সকলকেই আটক করে। সম্প্রতি যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজুর ছেলে দীপুকে সাভার থেকে আটক করে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দীপুকে নিয়েই লাশ উদ্ধারে যায় পুলিশ। ধামরাই থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এসআই শেখ সেকেন্দার আলী জানান, বংশী নদী থেকে পেটফাড়া লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। খুনিরা যেই হোক দ্রুতই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর