× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার

সরাইলে মাঠে আওয়ামী লীগের ৩ বিদ্রোহী প্রার্থী

বাংলারজমিন

মাহবুব খান বাবুল, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৮:৫৩

আওয়ামী লীগের তৃণমূলের ভোটে প্রথম রফিক উদ্দিন ঠাকুর পান নি দলীয় মনোনয়ন। বঞ্চিত হয়েছেন তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা মো. মোখলেছুর রহমানও। আর তালিকা থেকে আগেই বাদ পড়ে গেছেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শের আলম মিয়া। দল মনোনয়ন দিয়েছেন তালিকায় দ্বিতীয় ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. শফিকুর রহমানকে। উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের অধিকাংশ নেতাকর্মীর বক্তব্য হচ্ছে- ‘দলের কোনো দায়িত্বশীল পদে নেই। এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসও করছেন না। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। এমন ব্যক্তিকে দেয়া হয়েছে নৌকা।’ ত্যাগী, পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় নেতারা হয়েছেন মনোনয়ন বঞ্চিত। তাই দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা বেশি। বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলীয় হাইকমান্ডের স্বাগতমে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। সুযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে সুবিধা ভাগিয়ে নেয়ার জন্য লড়াই শুরু করেছেন উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরুজ্জামান লস্কর তপু। তপু পদত্যাগের কথা বললেও দলটির উপজেলার নেতৃবৃন্দ বলছেন বিষয়টি তাদের অজানা।  
দলীয় সূত্র ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে যায়, চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সরাইলে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তৃণমূলের ভোটে দ্বিতীয় মো. শফিকুর রহমান। সাবেক এই কাস্টম কর্মকর্তা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। ভোটে প্রথম ব্যক্তিকে টপকিয়ে তাকে মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন দলের একাধিক মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তৃণমূল থেকে শুরু করে উপজেলা আওয়ামীপন্থি সকল লোকজনের মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে একে একে আওয়ামী লীগের ৩ জন বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পড়েন। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক রফিক উদ্দিন ঠাকুর (ঘোড়া), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক মো. শের আলম মিয়া (মোটরসাইকেল) ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মুখলেছুর রহমান (চিংড়ি) স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে ৭ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনই আওয়ামী লীগের। উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (দল থেকে সদ্য পদত্যাগকারী) অ্যাডভোকেট নূরুজ্জামান লস্কর তপু (আনারস)। আওয়ামী লীগের মনোনীত ও ৩ বিদ্রোহী প্রার্থীর টানাটানির সুযোগে সুবিধা ভাগিয়ে নেয়ার জন্য ভোটের মাঠে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক ছাড়াই লড়ছেন তপু। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত না থাকায় স্থানীয় বিএপির নেতাকর্মীরা কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন। নৌকার প্রার্থী, আওয়ামী লীগের ৩ বিদ্রোহী প্রার্থী ও বিএনপি থেকে সদ্য পদত্যাগ করা প্রার্থী প্রত্যেকেই নির্বাচনে জয়লাভের বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে চলেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর