× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

ভুয়া ভিসা দিয়ে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

বাংলারজমিন

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৮:৫৪

বরগুনার তালতলীতে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শারিকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী শাহিন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। প্রতারক শাহিন উপজেলার শারিকখালী  গ্রামের রাজা প্যাদার ছেলে। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বেকার যুবকদের বিদেশ পাঠানোর নামে মোটা অঙ্কের বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে থাকেন দপ্তরি শাহিন। ২৮.০১.১৯ সালে সিঙ্গাপুর নেয়ার কথা বলে উপজেলার নিজ গ্রামের ৪ জনের কাছ থেকে একশত টাকার ১২টি স্টাম্পে লিখিত দিয়ে বিদেশ যাওয়ার কথা পাকাপোক্ত করে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রতারণা করেন শাহিন ও বাবা রাজা প্যাদা এবং খালা তাছলিমা। তাদের সবার আসল পাসপোর্টও রেখে দেয় শাহিন। এখন উল্টো শাহিনের বাবা রাজা প্যাদা বাদী হয়ে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে স্থানীয়রা জানান। ভুক্তভোগীদের বিদেশ নেয়ার কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া ভিসা দিয়ে মিথ্য হয়রানি ও উল্টো আদালতে শাহিনের বাবা বাদী হয়ে ১২.০৩.১৯ তারিখে মামলা করেন। শারিকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সামনে ভুক্তভোগীরা এসে শাহিনকে খুন জখমের ও টাকা ছিনতাই করেন এই মর্মে মামলা করেন আদালতে।
শারিকখালী গ্রামের হানিফ খানের ছেলে হাবিবুল খান, মফেজ প্যাদার ছেলে মানছুর, হোসেন আলীর ছেলে মিরাজ এবং নুরুল হক এর ছেলে মামুন এদের প্রতিজনের কাছ থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন প্রতারক শাহিন।
মামলার বিষয়ে শারিকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জানান আমার দপ্তরি শাহিন যে ঘটনা নিয়ে তার বাবাকে বাদী আদালতে মামলা করছে সেই সময় শাহিন আমার সঙ্গে স্কুলে ছিলো। সেই রকমের কোনো ঘটনা আমার স্কুলের সামনে ঘটেনি। ভুক্তভোগীদের বিদেশ নেয়ার কথা বলে শাহিন ও শাহিনের বাবা রাজা প্যাদা ৩০ লাখ টাকা নিয়েছে এটা সত্যি। ভুক্তভোগী হানিফ খান বলেন, আমার ছেলে হাবিবুলকে বিদেশ পাঠানোর জন্য শাহিনকে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্যদের সামনে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি কিন্তু সে আমার ছেলেকে ভুয়া ভিসা দিয়েছে। আমার ছেলে বিদেশ যেতে পারেনি ও আসল পাসপোর্ট দেয়নি শাহিন। অভিযুক্ত দপ্তরি শাহিনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সে জানান, আমি কারো কাছ থেকে টাকা নেইনি ও বিদেশও পাঠাতে চাইনি। মামলার বিষয় জানতে চাইলে ফোনের লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর