× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০১৯, রবিবার

মেসির বার্সেলোনার মুখোমুখি পগবার ম্যানইউ

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৯:০১

লুজানে গতকাল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শেষ আটের ড্রয়ে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। শেষ আটে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাসের প্রতিপক্ষ ডাচ ক্লাব আয়াক্স আমস্টারডাম। চারবারের চ্যাম্পিয়ন আয়াক্স শেষ ষোলোতে উড়িয়ে দেয় রোনালদোরই সাবেক ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদকে। অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে বর্তমান রানারআপ ও পাঁচবারের ইউরোপসেরা ক্লাব লিভারপুল। সাদিও মানে-মোহাম্মদ সালাহরা খেলবেন দুবারের চ্যাম্পিয়ন এফসি পোর্তোর বিপক্ষে। ‘অল ইলিংশ’ কোয়ার্টার ফাইনালে টটেনহ্যাম হটস্পারের মুখোমুখি হবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের বর্তমান শিরোপাধারী ম্যানচেস্টার সিটি। ৯ ও ১০ই এপ্রিল শেষ আটের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে। ফিরতি লেগ মাঠে গড়াবে ১৬ ও ১৭ই এপ্রিল।
ইউরোপসেরার আসরে সর্বশেষ ২০১১ সালের ফাইনালে ম্যানইউর মুখোমুখি হয় লিওনেল মেসির বার্সেলোনা।
এর আগে ২০০৯ সালের আসরের ফাইনালেও রেড ডেভিলদের পরাজিত করে শিরোপা জেতে কাতালান ক্লাবটি। দুটি ফাইনালেই গোল করেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তবে দুই লেগের নকআউট পর্বে এর আগে একবারই মুখোমুখি হয় বার্সা-ম্যানইউ। সেটি ২০০৭/০৮ মৌসুমের সেমিফাইনালে। সেবার বার্সাকে হারিয়ে ফাইনাল খেলে ম্যানইউ। এ ছাড়া ১৯৮৩/৮৪ সালের ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপের শেষ আটে কাতালান জায়ান্টদের পরাজিত করেছিল রেড ডেভিলরা।
১৯৭২/৭৩ সালের উয়েফা কাপের সেমিফাইনালের পর প্রথমবার ইউরোপিয়ান কোনো আসরে ফেলো ইংলিশ ক্লাবের মুখোমুখি টটেনহ্যাম হটস্পার। ম্যান সিটির সঙ্গে স্পারদের দ্বৈরথটা বেশ জমজমাট। এখন পর্যন্ত ১৫৬ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬০টি জিতেছে টটেনহ্যাম। ৬১টিতে জিতেছে ম্যান সিটি আর ৩৫টি ম্যাচ হয়েছে ড্র।  এই দু’দলের মধ্যে বিজয়ী দল সেমিফাইনালে জুভেন্টাস-আয়াক্সের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে।
গত মৌসুমের শেষ ষোলোতে পোর্তোকে হারিয়েছিল লিভারপুল। পর্তুগিজ ক্লাবের বিপক্ষে অলরেডদের রেকর্ড খুবই ভালো। ১০ ম্যাচে ৬টি জয়, ৩টি ড্র। পোর্তোর বিপক্ষে লিভারপুল জিতলে সেমিফাইনালে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে পারে বার্সেলোনা অথবা ম্যানইউকে।
সেই আয়াক্সের মুখোমুখি জুভেন্টাস
শেষ আটে আয়াক্সের বিপক্ষে জুভেন্টাসের ড্রয়ে ফিরে এসেছে পুরনো স্মৃতি। ১৯৭৩ সালের ইউরোপিয়ান কাপের ফাইনালে জুভদের হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা জেতে আয়াক্স। আবার ১৯৯৬ সালের আসরের ফাইনালে ডাচ ক্লাবটিকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জেতে জুভেন্টাস। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ওটাই জুভেন্টাসের সর্বশেষ সাফল্য। এরপর পাঁচবার ফাইনাল খেলে প্রতিবারই ব্যর্থ হয় সিরি আর রেকর্ড শিরোপাধারীরা।
আয়াক্সের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সর্বশেষ ১০ ম্যাচে হারেনি জুভেন্টাস। তবু তাদের কঠিন প্রতিপক্ষ মানছেন জুভেন্টাসের ডিরেক্টর পাভেল নেদভেদ, ‘আমি খুশি-অখুশি কোনোটাই নই। আয়াক্স রিয়াল মাদ্রিদকে ছিটকে দিয়েছে। তারা হাসির পাত্র নয়। আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দুটি ম্যাচ আশা করছি।’ আয়াক্সের ডাচ তারকা ফ্র্যাঙ্কি ডি ইয়ং জুভেন্টাসকে ফেবারিট বললেনও নিজেদের সম্ভাবনার উড়িয়ে দিচ্ছেন না, ‘আমি বলবো জুভেন্টাস ফেভারিট। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদও তাই ছিল। আমার মনে হয়, আমাদের সুযোগ আছে।’

কে কার মুখোমুখি
কোয়ার্টার ফাইনাল
বার্সেলোনা-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
জুভেন্টাস-আয়াক্স আমস্টারডাম
লিভারপুল-এফসি পোর্তো
ম্যানচেস্টার সিটি-টটেনহ্যাম
সেমিফাইনাল
বার্সেলোনা-ম্যানইউ/লিভারপুল-পোর্তো
জুভেন্টাস-আয়াক্স/ম্যান সিটি-টটেনহ্যাম

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর