× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার

জাতীয় দলের দ্বিতীয় ম্যাচে কঠিন পরীক্ষায় রূপনা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার, বিরাটনগর নেপাল থেকে | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৯:০১

বছর পাঁচেক ধরে বয়সভিত্তিক বাংলাদেশ দলের গোলবার সামলাচ্ছেন রূপনা চামকা। ২০১৪ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ আঞ্চলিক পর্বে অভিষেক হওয়া রূপনা এই সময়ে খেলে ফেলেছেন আটটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। যার মধ্যে বয়সত্তিক তিনটি সাফও রয়েছে। এসব টুর্নামেন্টে গোলবার এক প্রকার অক্ষতই রেখেছেন রূপনা। বয়সভিত্তিক ফুটবলের ধারাবাহিক সাফল্যে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই জাতীয় দলে সুযোগ হয়েছে রাঙ্গামাটির এই ফুটবলারের। নেপালের বিরাটনগরে রঙ্গসালা স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে লাল সবুজের জার্সিগায়ে অভিষেকও হয়েছে তার। তবে ওই ম্যাচে অলস সময়ই কাটিয়েছেন বাংলাদেশের এই গোলরক্ষক। আজই তাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলবে নেপাল। নেপাল ম্যাচ নিয়ে গতকাল হোটেল লবিতে বসে মানবজমিনের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন রূপনা চাকমা।
নেপাল প্রতিপক্ষ হিসেবে কতোটা কঠিন?
রূপনা: এর আগে নেপালের বিপক্ষে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের টুর্নামেন্টে খেলেছি। সেখানে কিন্তু ওরা আমাদের কাছে পাত্তা পায়নি। তবে এটা সিনিয়রদের টুর্নামেন্ট। নেপালের এই দলে অনেক অভিজ্ঞ ফুটবলার আছেন। যারা দীর্ঘদিন ধরে নেপাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। এসব কারণে ম্যাচটা আমাদের জন্য কঠিন হবে। তবে আমার চেষ্টা থাকবে গোলভার আগলে রাখার।
বয়সভিত্তিক দল ও জাতীয় দলের মধ্যে পার্থক্য কেমন?
রূপনা: আমি যতগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি, এর মধ্যে মিয়ানমারের টুর্নামেন্টটা একটু কঠিন ছিল। বিশেষ করে স্বাগতিক মিয়ানমারের বিপক্ষে ম্যাচটার কথা বলতে হবে। পুরো স্টেডিয়াম ভরা দর্শকের সামনে স্বাগতিকদের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। আর চীনের বিপক্ষে তিন গোলের মধ্যে একটি গোল আমার ভুলে হয়েছে। বাকি সব টুর্নামেন্ট আমরা যেমন চেয়েছি, তেমনই হয়েছে। তবে জাতীয় দলের সব ম্যাচই আমার কাছে কঠিন মনে হচ্ছে।
সবঠিক ছিল বলতে কি বোঝাচ্ছেন?
রূপনা: আসলে বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দলের হয়ে যতগুলো ম্যাচ খেলেছি সে সব ম্যাচে খুব কম গোল খেয়েছি। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ (২০১৭, ২০১৮) ও অনূর্ধ্ব-১৮ (২০১৮) এই তিনটি টুর্নামেন্টে আমি মাত্র চারটি গোল হজম করেছি। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বের দুই পর্ব মিলিয়ে ৩৯ গোল দেয়ার বিপরীতে গোল হজম করেছি মাত্র তিনটি, তাও এক ম্যাচে চীনের বিপক্ষে। আমি এটাই বোঝাতে চেয়েছি।
ফুটবলে আপনার শুরুটা কীভাবে?
রূপনা: ছোটবেলা থেকেই আমি খেলাধুলা পছন্দ করতাম। ২০১৩ সালে রাঙ্গামাটির বদলখালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হয়ে বঙ্গমাতা স্কুল টুর্নামেন্টে অংশ নিই। ওই টুর্নামেন্টের মাধ্যমেই প্ল্যান বাংলাদেশের ক্যাম্পে আসি। ২০১৪ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ এএফসি আঞ্চলিক টুর্নামেন্ট দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় আমার। এরপর একে একে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬, সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূধ্ব-১৮ দেশের প্রতিনিধিত্ব করি। তারই ধারাবাহিকতায় এখন জাতীয় দলে।
ফুটবলে আসার পেছনের গল্প শুনতে চাই
রূপনা: ওই রকম কোনো গল্প নেই। অন্য আট-দশজনের মতোই খেলতে খেলতে আমি খেলোয়াড় হয়ে গেছি। তবে আমার বাবা বেঁচে নেই। চার ভাই বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট। আমার দুই ভাইয়ের আয়ে আমাদের সংসার চলে। তাদের উৎসাহে আমার ফুটবলে আসা। এছাড়া আমার স্কুলের শিক্ষক ও আমার গৃহিণী মা আমাকে ভালো খেলতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
আপনার আইডল
রূপনা: বাংলাদেশের আশরাফুল ইসলাম রানা ভাইয়ের খেলা আমার ভালো লাগে। বাকিদের ঠিক সেইভালো দেখা হয়নি। তবে স্পেনের ইকার ক্যাসিয়াসকে আমি ফলো করি। তার স্টাইল, ম্যাচে তার মুভমেন্ট আমার ভালো লাগে। প্রতিদিন আমি তার ভিডিও দেখি।
বিরাটনগরে টুর্নামেন্ট সম্পর্কে বলেন
রূপনা: এখানে সবকিছুই আমার কাছে অন্যরকম মনে হচ্ছে। বিরাটনগরে লোকজন কম। রাস্তাঘাট আমাদের দেশের মতো। হোটেল থেকে বের হলে এটা বিদেশের মতো মনে হয় না। নিরাপত্তার বাড়াবাড়িতো আছেই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর