× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার

প্রেম করে বিয়ে যুবককে গুলি করে হত্যা

বাংলারজমিন

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৯:১১

 সোনাইমুড়ীতে প্রেম করে বিয়ে করায় এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে স্ত্রীর বাড়ির লোকজন। নিহতের স্ত্রী স্বপ্না বেগম বাদী হয়ে এজাহার নামীয় ১৪ ও অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।   গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত মামলার এজাহার নামীয় আসামি জাফর ইকবাল (২২)কে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার আমিশাপাড়া ইউপি’র ধানুপুর গ্রামে বৃহসপতিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  
স্থানীয় এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র কৃষক আমজাদ হোসেনের সাথে বিগত ২০০২ সালে একই গ্রামের হেদায়েত উল্যার কন্যা স্বপ্না বেগমের সঙ্গে প্রেমের সমপর্ক গড়ে উঠে। যতদিন যায় তাদের এ সমপর্ক গভীর হতে থাকে। স্বপ্না বেগমের পরিবার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এ সমপর্ক মেনে নিতে রাজি হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা উভয়ে পরিবারের অজান্তে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৩টি সন্তান জন্ম নেয়। এরপরও স্বপ্না বেগমের পরিবার বিয়েটি মেনে নেয়নি। এ নিয়ে তার স্বামীর বাড়িতে এসে তার সহোদর ফিরোজ ও পারভেজ কয়েকবার তাকে ও তার স্বামীকে মারধর করে। বৃহসপতিবার সকাল ১০টার দিকে আমজাদ হোসেন বাড়ি থেকে চায়ের দোকানে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার স্ত্রীর সহোদর ফিরোজ (৪৫) ও পারভেজ (৪০) তাদের সহযোগী মোহন, জাফর ইকবাল, নাজিম, সাদ্দাম ও প্রাইমসহ ১০/১৫ জন লোক সিএনজিযোগে এসে আমজাদ হোসেনের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রকাশ্যে তাকে অপহরণ করে। পরে তার পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে পার্শ্ববর্তী ধানুপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের পরিত্যক্ত মাঠে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পায়। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি আবদুস সামাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি আবদুস সামাদ জানান, তাকে অপহরণ করার পর নির্জনস্থানে নিয়ে তার বাম পায়ের হাঁটুতে গুলি করে লাশ ফেলে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অভিযুক্ত আসামি জাফর ইকবাল (২২)কে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্ত্রী স্বপ্না বেগম সোনাইমুড়ী থানায় এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে মানবজমিনকে জানান, প্রেম করা কি পাপ?। আমাকে হত্যা করার উদ্দেশে আমার সহোদররা ইতিপূর্বে মারধর করেছে। এখন আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ধানুপুর গ্রামের মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে আমজাদ হোসেনকে তার স্ত্রীর সহোদররা হত্যা করেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর