× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার

ইভিএমের ভিভিপ্যাট নিরাপদ কি না জানতে চেয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

এক্সক্লুসিভ

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, ৯:২১

ইভিএমে ভোট করানো নিরাপদ নয় বলে  বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ করেছেন ভারতের বিরোধী দলগুলো। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ব্যালট পেপারে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। লোকসভা নির্বাচনের ভোট হবে ইভিএমেই। তবে সব বুথে থাকবে ভিভিপ্যাট (ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রেইল) যন্ত্র। এর মাধ্যমে ভোটার নিজের ভোট সম্পর্কে নিশ্চিত হবার সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন ভিভিপ্যাট কিভাবে কাজ করে তা ভোটারদের জানিয়ে তথ্য প্রচার করা শুরু করেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের দেয়া আশ্বাসেও আস্থা রাখতে পারেন নি দেশের বিরোধীরা। দেশের ৫০ শতাংশ ইভিএমেই কারচুপি করা সম্ভব বলে ২৩টি রাজনৈতিক দল সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন করেছিল।
শুক্রবার সেই পিটিশনের শুনানির শেষে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃতাধীন বেঞ্চ সব ভিভিপ্যাট ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে বলেছে। আদালতের নির্দেশ, আগামী ২৫শে মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন কমিশনের কোনো অফিসারকে শীর্ষ আদালতে গিয়ে এ ব্যাপারে সব কিছু জানাতে হবে। ২৩টি বিরোধী দলের অভিযোগ ছিল, ভিভিপ্যাট যন্ত্র থাকা ইভিএমগুলোর ৫০ শতাংশই নিরাপদ নয়। সেগুলো সহজেই ‘হ্যাক’ করা যায়। ফলে, ওই সব ইভিএমের মাধ্যমে ভোটারদের মতামত সঠিকভাবে প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। এই ২৩টি দলের মধ্যে ৬টি জাতীয রাজনৈতিক দল, বাকি ১৭টি আঞ্চলিক দল। অভিযোগকারীদের মধ্যে নাম রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু, এনসিপি  নেতা শরদ পওয়ার, কংগ্রেসের  কেসি বেনুগোপাল, তৃণমূল সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন, সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব, ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিন ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ বহু নেতার। উল্লেখ্য, কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ কক্ষে ব্যালট ইউনিটের সঙ্গে ভিভিপ্যাট যন্ত্র লাগানো থাকবে। ভিভিপ্যাটে একটি স্বচ্ছ জানালা আকৃতির খোপ থাকবে। সেটির মধ্য দিয়ে ভোট দেবার সময় একটি ছাপানো কাগজের চিরকুট দেখা যাবে। এই চিরকুটে ভোট সাত সেকেন্ড সময় পাবেন নিজে যে প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন তার নাম ও প্রতীক চিহ্ন। এর পরেই সেটি কেটে যাবে এবং নিচের বাক্সের মধ্যে জমা হবে।   

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর