× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

সোস্যাল মিডিয়াতেও নজরদারি অফিসার

ভারত

পরিতোষ পাল, কলকাতা থেকে | ৩১ মার্চ ২০১৯, রবিবার, ৯:৪০

ভোট-পর্বে রাজনৈতিক ময়দানের মতোই ভোটের উত্তাপে তপ্ত হয়ে উঠছে সোস্যাল মিডিয়া। সেখানে কখনও ট্রোল, কখনও বা ভুয়া খবর কিংবা বিদ্বেষ বা উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠছে। সেগুলো ক্রমশই মাথাব্যথা হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশনের। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই তারকা প্রার্থী নাম ঘোষণার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত ট্রোলড হয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে নজরদারি করতে আলাদা নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংবাদমাধ্যম এবং গণমাধ্যম বা  সোস্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর রাখার জন্য মিডিয়া সার্টিফিকেশন এবং মনিটরিং কমিটিও (এমসিএমসি) রয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছেন সোস্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞদের। তবে এবার আরো এক ধাপ এগিয়ে শুধু সোস্যাল মিডিয়ার বিষয়ে নজর রাখার জন্য পৃথক  নোডাল অফিসার নিয়োগ করেছে কমিশন।
সোস্যাল মিডিয়ার কোনো কিছু নিয়ে অভিযোগ হলে কিংবা সিইও অফিসের মিডিয়া ওয়াচ টিমের নজরে কিছু এলে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত  নেবেন নোডাল অফিসার। তার পরে তা কমিশনের তিন জন নোডাল অফিসারের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। রাজ্যগুলোর মতোই কমিশনেও নতুন তিনজন নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। তারা তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ার জন্য নিযুক্ত গ্রিভান্স অফিসারের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। তারপরে সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী করা উচিত, সিদ্ধান্ত নেবেন গ্রিভান্স অফিসার। এক্ষেত্রে কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (মিডিয়া) অন্যতম ভূমিকা পালন করবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর