× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার

নির্বাচনে হাতি থেকে সাবধান

ভারত

পরিতোষ পাল, কলকাতা থেকে | ৩১ মার্চ ২০১৯, রবিবার, ৯:৪০

পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর পাঞ্চেৎ ডিভিশন এবং বাঁকুড়া উত্তর ডিভিশনে প্রতিবেশী রাজ্য থেকে হাতির পাল মাঝে মধ্যেই নেমে আসে। কিছুদিন আগেই এসেছিল ২৮-৩০টি হাতির দল। বেলিয়াতোড়, বড়জোড়া, গঙ্গাজলঘাটি প্রভৃতি রেঞ্জে ফসল ও  লোকজনের ঘরবাড়ি নষ্ট করে হাতির দল। হাতির হানায় মৃত্যুও হয়। তাছাড়া এই জেলার বিভিন্ন জঙ্গলে ন’টি ‘রেসিডেন্ট’ হাতি (স্থায়ীভাবে  থেকে যাওয়া) রয়েছে। এই মুহূর্তে ছ’টি হাতি বড়জোড়া, একটি  বেলিয়াতোড় ও দু’টি গঙ্গাজলঘাটি  রেঞ্জের জঙ্গলে রয়েছে। দলমার পাল আপাতত চলে গেলেও ফিরে আসতে পারে যেকোনো সময়। তাই ভোট নির্বিঘ্ন করতে শুধু দুষ্কৃতরাই নয়, বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে হাতিও।
ইতিমধ্যেই জেলার হাতি উপদ্রুত এলাকার বুথের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে ভোটকর্মীদের কীভাবে নিয়ে যাওয়া হবে, তা ঠিক করতে বন দপ্তরের কর্তাদের নিয়ে  বৈঠকও হয়েছে। বাঁকুড়ার জেলা শাসক উমাশঙ্কর এস বলেছেন, জঙ্গল লাগোয়া এলাকার মানুষজন হাতিদের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। কিন্তু, ভোটকর্মীরা ওই এলাকা সম্পর্কে এবং হাতিদের মতিগতি নিয়ে ততটা সচেতন নন। এই অবস্থায় ভোট করাতে গিয়ে কোনোভাবেই যাতে হাতির মুখে ভোটকর্মীদের পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বন দপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। তবে হাতিদের উপদ্রবে ভোট ব্যাহত হওয়ার মতো কোনো তথ্য জানা নেই। কিন্তু ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন ও ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় ওই এলাকায় হাতির উপদ্রব বেড়ে গিয়েছিল। বন দপ্তরের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ভোটের কাজে যাওয়া বুথ কর্মীদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পটকা (ক্র্যাকার) দেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সতর্কতা হিসেবে সঙ্গে ফল, ডাল জাতীয় সামগ্রী, এমনকি গুড় রাখতে নিষেধ করা হচ্ছে। জেলার  ডিএফও (উত্তর) ভাস্কর জেভি অবশ্য বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য ভোটের দু’দিন আগেই হাতিগুলোকে লোকালয় থেকে দূরের জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর