× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার

কংগ্রেসের ইশতেহারে ২২ লাখ সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৩ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার, ৮:৫৩

২২ লাখ সরকারি শূণ্য পদে যুবকদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে কংগ্রেসের নির্বাচনী  ইশতেহারে। সেই সঙ্গে গরিব ও কৃষকদের অ্যাকাউন্টে বছরে সরাসরি ৭২ হাজার রুপি করে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয়া হয়েছে। গতকাল নয়াদিল্লির ২৪ আকবর রোডে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে ইউপিএর চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে এই ইশতেহার প্রকাশ করেছেন দলটির সভাপতি রাহুল গান্ধী। রাহুল গান্ধী সোমবারই জানিয়েছিলেন, দেশ এই মুহূর্তে যে সব প্রধান প্রধান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তার মোকাবিলায় কংগ্রেসের ইশতেহারটি হবে একটি শক্তিশালী দলিল। ইশতেহারকে ওয়েল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার বলে বর্ণনা করেছেন রাহুল গান্ধী।  ইশতেহার রচনা করেছে যে কমিটি সেই কমিটির প্রধান সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বলেছেন, কর্মসংস্থান, কৃষি এবং মহিলাদের সুরক্ষায় গত পাঁচ বছরে দেশ পিছিয়ে গেছে। তাই  দেশকে আবার উন্নতির রাস্তায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে গত এক বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইশতেহার। কিছুদিন আগেই রাহুল গান্ধী যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা জানিয়েছিলেন, এদিনের প্রকাশিত ইশতেহারেও বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের গরিব এবং কৃষকেরা পাঁচ বছরে তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন বলে ইশতেহারে জানানো হয়েছে।
কংগ্রেসের দাবি, এর ফলে উপকৃত হবে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি দরিদ্র মানুষ। এবারের নির্বাচনে কৃষকেরা যে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারেন ধরে নিয়ে কংগ্রেসের ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, ক্ষমতায় এলে দেশের কৃষকরা কৃষিঋণ শোধ করতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে না, তাদের নিয়ে আসা হবে দেওয়ানি মামলার আওতায়। একই সঙ্গে ক্ষমতায় এলে পুরো জিএসটি ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হবে বলেও দাবি করা হয়েছে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। মোদি সরকারের জিএসটিকে ‘গব্বর সিংহ ট্যাক্স’ বলেও কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধী। তিনি জানিয়েছেন, তুলে দেয়া হবে গব্বর সিংহ ট্যাক্স।

জিএসটিতে বর্তমানে চালু পাঁচটি স্তরকে একটি স্তর বা স্ল্যাবে নিয়ে আসা হবে এবং সেই স্তরেও করের হার কমানো হবে। দেশের গড় জাতীয় উৎপাদনের ৬ শতাংশ শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়নের পরিকল্পনায় মোদি সরকারের তৈরি নীতি আয়োগ তুলে দিয়ে ফের পূর্ববর্তী জমানার যোজনা কমিশন ফিরিয়ে আনা হবে বলেও এদিন জানানো হয়েছে। এদিনের ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে উন্নয়নের অংশীদার করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্যেই এই ইশতেহার। এদিকে, কংগ্রেসের ইশতেহারে গরিবের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বছরে ৭২ হাজার রুপি দেয়ার ঘোষণা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন মোদি। অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি কংগ্রেসের ইশতেহারকে ‘বিপজ্জনক প্রতিশ্রুতি’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, অবাস্তব ইশতেহার, যা কার্যকর করা সম্ভব নয়। দেশের অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর