× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার

সমীক্ষায় মোদিই এগিয়ে, ম্যাজিক ফিগারে যাওয়া কঠিন

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৯ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:২১

নির্বাচনের আগে যেসব সমীক্ষা প্রকাশিত হয় তাতে খুব একটা আস্থা নেই রাজনৈতিক দলগুলোর। অনেক সময়ই দেখা গেছে, সমীক্ষার ফলাফল মেলেও না বাস্তবের সঙ্গে। তবে সমীক্ষা নিয়ে আমজনতার মধ্যে চলে বেশ আলোচনা। এবারও এখন পর্যন্ত যতগুলো সমীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে তার সবক’টিতে মোদিকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে। তেমনি এগিয়ে রাখা হয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট এনডিএ-কে। সর্বশেষ গত রোববার সি-ভোটার যে সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তাতেও  এগিয়ে মোদি, কিন্তু ম্যাজিক ফিগারের নিচে থাকছে এনডিএ। ৫৪৩ আসনবিশিষ্ট লোকসভার ম্যাজিক ফিগার হলো ২৭২। সমীক্ষা বলছে, গত বারের থেকে ৬০টি আসন কমে, বিজেপি এবার একা পেতে পারে ২২২।
আর এনডিএ’র বাকি শরিক মিলিয়ে ২৬৭টি আসন। অর্থাৎ ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছাতে পারছে না এনডিএ। তবে কংগ্রেস ও তার শরিকদের এনডিএ’র ধারে-কাছে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই সমীক্ষায় উঠে এসেছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল মোর্চা ইউপিএ  পেতে পারে মাত্র ১৪২টি আসন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস, বাম, সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, তেলেগু দেশম পার্টি বা আম আদমি পার্টির মতো দুই জোটের বাইরের দলগুলো পেতে পারে মোট ১৩৪টি আসন। মার্চের প্রথম দিন থেকে এপ্রিলের ৫ তারিখের মধ্যে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মতামত যাচাই করে এই সমীক্ষা তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সি-ভোটারের সর্বশেষ সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ভোটপ্রাপ্তির হারেও অন্যদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এনডিএ জোট। মোট ভোটের ৪১.৩ শতাংশ ভোট পেতে পারে এই জোট। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট পেতে পারে ৩০.৭ শতাংশ ভোট। আর অন্য দলগুলো পেতে পারে মিলিতভাবে ২৭.৪ শতাংশ ভোট। পেতে পারে এই দলগুলো। ইতিহাস বলছে, এই সব সমীক্ষা অনেক সময়ে একেবারেই মেলে না। রাজনৈতিক দলগুলোও এই সমীক্ষাকে গুরুত্ব দেয় না। তবে গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পেয়েছিল ২৮২টি আসন। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে এনডিএ’র শরিকগুলো এবার পাবে মোট ৪৫টি আসন। অন্য দিকে ২০১৪-র নির্বাচনে কংগ্রেসের ৪৪টি আসন এবার অনেকটা বেড়ে এবার ৯১টিতে পৌঁছাতে পারে। আর ইউপিএ-র শরিকরা মিলিতভাবে পেতে পারে ৫১টি আসন। ভোট শতাংশের হিসেবে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ৩০.৭ শতাংশ ভোট পেতে পারে বলে সমীক্ষায় জানানো হয়েছে।  সমীক্ষার মতে, উত্তর প্রদেশেই বিজেপি সবচেয়ে বেশি আসন হারাতে পারে। অখিলেশ যাদব ও মায়াবতীর মহাজোটের কাছে বিজেপি ধাক্কা খাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। গত নির্বাচনে এই রাজ্যে ৮০টির মধ্যে ৭৩টি-ই পেয়েছিল বিজেপি ও তাদের শরিকেরা। এবার তা ৩২-এ এসে দাঁড়াতে পারে। মহাজোট পেতে পারে ৪৪টি আসন। আলাদা লড়াই করে কংগ্রেস উত্তর প্রদেশে ৪টি আসন পেতে পারে বলে সমীক্ষায় জানানো হয়েছে। আবার বিহারে রামবিলাস-নীতিশের সঙ্গে বিজেপির জোট ৪০টির মধ্যে ৩৪টি আসন পেতে পারে। লালু ও কংগ্রেস জোট পেতে পারে ৬টি আসন। গুজরাটেও ২৬টির মধ্যে ২৪টি পেতে পারে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি হারলেও কয়েক মাসের মধ্যে লোকসভা নির্বাচনে ২৯টির মধ্যে ২৩টি আসন পেতে পারে এনডিএ। মহারাষ্ট্রেও ৪৮টির মধ্যে ৩৫টি পাওয়ার সম্ভাবনা এনডিএ-র। ইউপিএ সেখানে পেতে পারে ১৩টি আসন। দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি বিপুলভাবে জিতলেও লোকসভায় তারা কোনো আসন পাচ্ছে না বলেই এই সমীক্ষার অনুমান। ৭টি আসনই জিততে পারে এনডিএ। অবশ্য শেষ মুহূর্তে কংগ্রেস ও আপের সমঝোতার ফলে প্রভাব ফেরত পারে। পাঞ্জাবে ১৩টি আসনের মাত্র ইউপিএ পাবে ১২টি আসন। সেখানে বিজেপি পাবে একটি আসন। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এবার ভোটের হারও যেমন বৃদ্ধি করবে তেমনি বাড়াবে আসন সংখ্যাও।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর