× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার
আইওএম-এ লড়ছে বাংলাদেশ

ভোট চাইতে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১৪ এপ্রিল ২০১৯, রবিবার, ৯:২৩

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম-এর উপ-মহাপরিচালক পদে নির্বাচনে ভারতসহ ভোটার রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন ও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। এ নিয়ে আলোচনা করতে শিগগির দিল্লি যাচ্ছেন ওই পদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনিত প্রার্থী পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক। আগামী মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও কনকারেন্ট বা অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে বাংলাদেশ বিষয়াবলি দেখভালকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও মিশন প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময় করবেন তিনি। সেখানে মূখ্য আলোচ্য হবে আইওএম-এর নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থিতা ও সমর্থন প্রসঙ্গ। আইওএম জাতিসংঘের হয়ে বিশ্বে অভিবাসনের বিষয়টি দেখভাল করে। প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত। প্রতিবছর তারা ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠান। ফলে ওই সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং সক্রিয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলছেন, ওই নির্বাচনে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের সমর্থন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল একটি ভোটের বিষয় নয়, বরং ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে থাকলে অন্য দেশের সমর্থন আদায়ের বিষয়টিও খানিক সহজ হবে। তাই আগেভাগেই ভারতের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনায় যাচ্ছেন পররাষ্ট্রসচিব। সেখানে নির্বাচন ছাড়াও দুই সচিব দ্বিপক্ষীয় বিষয়াদি নিয়ে কথা বলবেন। বিশ্বের প্রায় ৭৭টি দেশের রাষ্ট্রদূত দিল্লিতে অবস্থান করে বাংলাদেশ-সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে কাজ করেন। ঢাকায় অনাবাসী ওই সব দূতরা বাংলাদেশেও তাদের পরিচয়পত্র পেশ করেন। ওই দেশগুলোর মধ্যে ৬০টি রাষ্ট্র আইওএম-এর সদস্য এবং ভোটার। তাদের সঙ্গে সচিব দেখা করবেন, প্রার্থী হিসাবে তাদের ভোট ও সহায়তা চাইবেন। উল্লেখ্য শনিবার ঢাকায় কমর্রত বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতদের মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন চেয়েছে। তাছাড়া বিদেশ নীতি বাস্তবায়নে যুক্ত বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা ঢাকার প্রার্থিতার পক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভোট চাইছেন। সদ্য সমাপ্ত ওয়াশিংটন সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও সহযোগিতা চান। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের সরকার প্রধান থেকে শুরু করে ঢাকার প্রতিনিধিরা যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন চাইছেন। বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান বরাবর এ নিয়ে চিঠিও পাঠানো হচ্ছে। অভিবাসন দুনিয়ার পরিচিত মুখ শহীদুল হক জাতিসংঘের ওই সংস্থার বিভিন্ন পদে এর আগে ১১ বছর কাজ করেছেন। ২০১২ সালে আইওএম থেকে ফিরে এক বছরের মধ্যে (২০১৩ সালের জানুয়ারিতে) পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর তিনি অবসরকালীন ছুটিতে গেলেও সরকার এক বছরের জন্য তাকে এক্সটেনশন দেয়। তাছাড়া তাকে সিনিয়র সেক্রেটারিও করা হয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় আগামী জুনে আইওএমএর ভোটাভুটিতে উপ-মহাপরিচালক পদে প্রার্থী এম শহীদুল হকের জয়ের ব্যাপারে ব্যাপক আশাবাদী ঢাকা। উল্লেখ্য, আইওএম-এর ১৭৩টি সদস্য রাষ্ট্র ভোট দিয়ে সংস্থার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচন করবে। ওই পদে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বি সুদান, ফিলিপাইন, ইথিওপিয়া ও জর্ডান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর