× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

সোনাগাজী ওসির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত করবে পিবিআই

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ১:২৮

ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে’ করা মামলাটি গ্রহণ করেছেন আদালত। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন এ মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আগামী ৩০ এপ্রিল মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আবেদন করেন ব্যারিস্টার সুমন। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় করা অভিযোগটি পিটিশন মামলা হিসেবে গ্রহণ করেন।

ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন বলেন, ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৬ ধারাসহ অন্যান্য ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে। যৌন হয়রানির অভিযোগ করতে থানায় যাওয়ার পর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দি রেকর্ডের সময় ভিডিও করা এবং পরবর্তীতে তা সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়েছে।

এর আগে যৌন হয়রানির অভিযোগ করতে যাওয়ার পর সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসির কক্ষে আরেক দফা হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল নুসরাতকে। ওসি নিয়ম না মেনে জেরা করতে করতেই নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও করেন। মৌখিক অভিযোগ নেয়ার সময় দুজন পুরুষের কণ্ঠ শোনা গেলেও সেখানে নুসরাত ছাড়া অন্য কোনো নারী বা তার আইনজীবী ছিলেন না।

আইনজীবীরা বলছেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ করার সময় ভিডিও ধারণের ঘটনায় ওসির বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে।
ওসির এ ধরনের আচরণের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষও বলছেন, আইন না মেনে কারোর ভিডিও করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত আক্তার রাফিকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নুসরাত থানায় অভিযোগ করলে অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকেই মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা তুলে না নেওয়ায় নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার আগমুহূর্তে মিথ্যা কথা বলে নুসরাতকে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Manjorul alam
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ৯:২৭

Thanks brother

Faruk
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ৮:২২

Thanks you Somon bi

মোহাম্মদ আবু জাফর
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ৭:৪৪

ধন্যবাদ জানাই ব্যরিষ্টার সুমন ভাইকে। অবশ্যই ওই ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

FOYEZ AHMED
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ৪:৩৪

ব্যারিষ্টার সুমন এক প্রতিবাদী নাম তুমি ই পারবে তুমার কাছ থেকে অনেক কিছু পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সুমন ভাইয়ের মত সাহসী উদার মন নিয়ে এগিয়ে আসো সবাই

Arun
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ৩:৫০

Bangladeshi ninety - five percent police corrupted and dishonest .

জাফর আহমেদ
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ২:১৫

ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা জনাব সুমন সাহেব কে।এই মেয়েটা হত্যাকাণ্ডের সবচাইতে বড় অপরাধী এই ওসি।সে সাজার বাহিরে থাকা মানে একটা অবিচার করা। আপনার মত সবার শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।

অন্যান্য খবর