× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার

নুসরাত রাফি হত্যাকান্ডের সঙ্গে আওয়ামী নেতাকর্মীরা জড়িত: মোশাররফ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ২:০০

নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকান্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশররফ হোসেন।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আদর্শ নাগরিক আন্দোলন নামে একটি সংগঠনের তৃতীয় বর্ষপূর্তী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, নুসরাতের হত্যাকারীরা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।  আওয়ামী লীগ নেতার কারনেই এই হত্যাকান্ডের স্বপক্ষে সভা সমাবেশ হয়েছে ফেনীর সোনাগাজীতে।  অধ্যক্ষ সিরাজ ওলামা লীগ নেতা ।  আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা এখন বিভিন্ন কথা বলে এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।  তারা এখন মাদ্রাসা শিক্ষার উপর কটাক্ষ করছে।  দোষ ব্যক্তির কোন নির্দিষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থার না।   

খন্দকার মোশাররফ বলেন,  দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত করার সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।  ব্যাংকগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ১৪ টি ব্যাংকের মূলধন এখন তিন জন আওয়ামী নেতার হাতে।

দেশে আইনের শাষন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন,  বিচারকরা স্বধীনভাবে বিচার করতে পারেন না।  তারেক রহমানকে খালাস দেওয়া বিচারককে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়েছিলো।  বিচার ব্যবস্থাও এক জন ব্যক্তির ইচ্ছার অনিচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে।  সাক্ষী প্রমাণ ছাড়াই খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়েছে উচ্চ আদালত।  এ ধরনের মামলায় জামিন হয়।  কিন্তু বিভিন্ন মারপ্যাচে ১৩ মাস তিনি অন্যায়ভাবে কারাগারে।  দেশে যে আইনের শাষন নাই এটিই তার উদাহারন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজকে বিচার বিভাগের চরম অবনতি হয়েছে।  বিচারকরা চরিত্রহীন হয়ে যাচ্ছেন , তারা আইন ভুলে গেছেন।  জামিন আটকে রাখা হচ্ছে অন্যায়ভাবে।  আজকে কারাগারে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হচ্ছে না।  তার মূল চিকিৎসা হচ্ছে তাকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া।  গণতন্ত্র না থাকলে বিচার বিভাগের এই অবনতি ঘটবে।  বিচারকদের মনে রাখতে হবে কখনো না কখনো তাদের জনতার আদালতে হাজির হতে হবে।  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুমুদর রহমান মান্না বলেন, নুসরাত হত্যার প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করতে দেয়নি কে ? আওয়ামী লীগ নেতার কারনেই নুসরাত মারা গেছে।  নুসরাতের জন্য চোখ ভিজে যায়।  কিন্তু সরকার অশ্রুর মূল্য দেয়না।  যারা ক্ষমতায় আছে তারা আগের বিভিন্ন ঘটনা ধামাচাপা দেওয়াতেই এ নুসরাতের মতো ঘটনা ঘটছে।   তারা আমাদের সরকার নয়।  তারা নির্বাচিত নয়।  তাদের মানবো না।  
আলোচনা অনুষ্ঠানের পর প্রেসক্লাবের সামনে নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
FAruki
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ৭:৪৭

Please stopped this like blame game. Here we don't know who AL or BNP. Those people are culpits and must get punishment.

অন্যান্য খবর