× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার
বাগেরহাটের ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে খালাস

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৪

প্রায় দুই যুগ আগে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্কুলছাত্র বাদল হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদ- বহাল রেখে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামির করা আপিলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামি মনিরুজ্জামানের পক্ষে ছিলেন মোহাম্মদ রেজাউল কবির খান। পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী শফিকুল ইসলাম বাবুল।

রায়ের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রয়েছে হাইকোর্টের রায়ে। তবে, যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বহর বুনিয়া গ্রামের আসামি ফুল মিয়া হাওলাদারসহ ২/৩ জন দুর্বৃত্ত প্রতিবেশী এলাল উদ্দিনের বাড়িতে যান। এ সময় আসামি ফুল মিয়া এলাল উদ্দিনের স্কুলপড়ুয়া ছেলে বাদলের ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আসামি ফুল মিয়ার সঙ্গে এলাল উদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার দিন বিকেলে এলাল উদ্দিন বাদি হয়ে ফুল মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০০১ সালের ১৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় ফুল মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে মামলার বিচার শেষে ২০১৪ সালের ৯ মার্চ রায় ঘোষণা করে আদালত।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nasir ahned
১৯ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, ৬:১১

বিচার দেখে আমি হতাস। এক বিচারক দিল জাবজ্জিবন আরেক জন দিল খালাশ। কোন টা সঠিক বিচার ছিল। যাবজ্জীবন থেকে যদি ১৫/২০ বছর কারাডন্ড হতো তাহলেও কথা ছিল না। একেবারে খালাশ। তাহলে জাব জ্জীবন কেন হয়েছিল বিচারকদের কি কোন জবাব দিহি থাকবে না?

অন্যান্য খবর