× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

বগুড়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ সন্ত্রাসী স্বর্গ নিহত

অনলাইন

বগুড়া প্রতিনিধি | ১৯ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, ১১:৩৬

নিজেদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বগুড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও বেশ কয়েকটি হত্যা মামলার আসামী রাফিদ আনাম স্বর্গ (২২) নিহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বগুড়া শহরের উপশহর-ধরমপুর সংযোগকারী ধুন্দল ব্রিজের দক্ষিণ পার্শ্বে সুবিল খালপাড়ে এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। নিহত স্বর্গ বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া শহীদ নগর এলাকার মৃত লিয়াকতের ছেলে।

স্বর্গের বাবা লিয়াকতও ছিল বগুড়া শহরে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন। পেশাদার খুনী হিসেবে লিয়াকত পুলিশের তালিকাভুক্ত ছিল। ২০০৬ সালে লিয়াকত পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়। শুক্রবারের সকালে স্বর্গ নিহত খবর জানাজানি হলে সাধারন মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করে।

পুলিশ জানায়, বৃস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে  ধুন্দল ব্রীজ এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শুনে পুলিশের কয়েকটি দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এসময়  ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল একটি ম্যাগাজিন এক রাউন্ড গুলি এবং একটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করেছে।  

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী এবং  সদর থানার  ওসি এসএম বদিউজ্জামান তাকে উদ্ধার করে  টহল পুলিশের  গাড়িতে দ্রুত শজিমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে  নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে উপস্থিত লোকজন তাকে  ঠনঠনিয়া শহীদ নগর (খান্দার) এলাকার খুনি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘স্বর্গ’ হিসেবে সনাক্ত করেন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান,  পুলিশের রেকর্ডে  দেখা যায় নিহত স্বর্গের নামে সদর এবং শাজাহানপুর থানায় খুন, চাঁদাবাজি অস্ত্র আইনে সাতটি মামলা রয়েছে। সাম্প্রতিক কালে শাজাহানপুরের জামাদারপুকুর এবং শহরের খান্দার মালগ্রাম এলাকায় সে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

উল্লেখ্য, কিশোর বয়সেই স্বর্গ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে বগুড়া শহরে পরিচিত হয়ে উঠে। মাত্র ১৭বছর বয়সে স্বর্গ দুইটি খুনের সাথে জড়িত হয়। একপর্যায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যায়। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকাকালে সেখানেই সন্ত্রাসীদের সাথে একটি গ্রুপ তৈরী করে। গত তিনমাস আগে সরকারী দলের এক নেতার  তদবিরে স্বর্গ ও লিখন নামের দুই সন্ত্রাসী জামিনে মুক্তি পায়। এরপর তারা স্বর্গের নানা বাড়ি নন্দীগ্রাম থানা এলাকায় আশ্রয় নিয়ে চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছিল। এছাড়াও স্বর্গ জামিনে মুক্তি পেয়ে বগুড়া সদর থানার সাবেক এক ওসিকে হত্যার হুমকী দেয়। ২০০৬ সালে তার বাবা লিয়াকত ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার সময় ওই ওসি বগুড়া সদর থানায় কর্মরত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর