× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে শিরাল লাকথিলাকা

‘শ্রীলঙ্কা হামলায় আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত’

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২২ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার, ১০:৩৭

শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলায় আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত। এমনটা মনে করেন দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল সেক্রেটারিয়েটের উপদেষ্টা ও সমন্বয়কারী সেক্রেটারি শিরাল লাকথিলাকা। তিনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে এ কথা বলেছেন। বলেছেন, এরই মধ্যে কয়েকজনকে কলম্বোর সিনামন গ্রান্ড হোটেলে বিস্ফোরণের আগে একটি গাড়িতে সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর ভিত্তি করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তামিল টাইগারদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধের উত্তাল সময়েও এমন সিরিজ বোমা হামলা ও এত মানুষ নিহতের ঘটনা ঘটে নি। ২০১১ সালে নাইজেরিয়া ও ২০১৮ সালে পাকিস্তানে যে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল শ্রীলঙ্কার হামলা তারই মতো বলে আমরা দেখতে পাচ্ছি।

রাজধানী কলম্বোতে একটি এপার্টমেন্টে পুলিশি তল্লাশির সময় গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। ফলে এখনই তাদেরকে হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলা যাচ্ছে না।
হামলাকারীরা যেখানে অবস্থান করছিল, সেই এপার্টমেন্টে তাদেরকে দেখা গেছে। তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন এখনও দুই বা তিনের অধিক বোমা অবিস্ফোরিত অবস্থায় রয়েছে। তা কোথাও পুঁতে রাখা হতে পারে।

শিরাল লাকথিলাকা হামলার পর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি সাক্ষাতকারে আরো বলেছেন, আমরা কলম্বোর উত্তরাঞ্চলে দেমাতাগোদা এলাকায় একটি এপার্টমেন্টে তাৎক্ষণিকভাবে একটি গাড়ি চিহ্নিত করতে পারি। ওই ভবনটি পরে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা ঘিরে ফেলেন। সেখানে তৃতীয় তলায় তল্লাশি চালাতে কর্মকর্তারা যখন প্রবেশ করবেন তখনই সেখানে আত্মঘাতী এক বোমারু বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে স্পেশাল টাস্কফোর্সের একজন কর্মকর্তা ও দু’জন কনস্টেবল নিহত হন।

নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ঘাতটি সম্পর্কে তিনি বলেন, সব বিষয়েই বিস্তারিত তদন্ত হবে। এখনই নিরাপত্তায় ঘাটতি নিয়ে কথা বলা ঠিক নয়। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে পেরেছে সন্ত্রাসীরা। আমরা সন্দেহ করছি এ হামলায় আন্তর্জাতিক চক্রের ভূমিকা আছে। তবে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা সুনির্দিষ্টভাবে এই ট্রাজেডির জন্য দায়ী করতে পারছি না।  দেশের সব হোটেল ও উপাসনালয়ে নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে সেনাবাহিনী। যেকোনো সঙ্কটজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত তারা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর