× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার

শ্রীলঙ্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৪ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার, ১১:৪০

রোববারের সন্ত্রাসী হামলায় শ্রীলঙ্কায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৯। এখনও হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন অনেকে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে নিহতের এ সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওদিকে সরকার দেশে নিরাপত্তা ফেরানের প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। আগেভাগে সন্ত্রাসী হামলার সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও কেন তা থামাতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার তা নিয়ে চলছে বিতর্ক। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা বলেছেন, পুলিশ প্রধান সুজুথের দেয়া সতর্কতা তাকে জানানো হয় নি। তিনি এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।  একই রকম কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রমাসিংহে। এরই মধ্যে হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস। তবে হামলায় জড়িত থাকার পক্ষে সরাসরি কোনো প্রমাণ তারা দেয় নি।

রোববারের সন্ত্রাসী হামলায় এত মানুষের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ শ্রীলঙ্কা। চারদিক যেন থমকে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে নিহতদের অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া চলছে। আজ বুধবার নিহতের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯।
মঙ্গলবার টেলিভিশনে ভাষণ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। এতে তিনি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ ও নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীকে পুরোপুরি নতুন করে সাজানোর কথা বলেছেন।  তার ভাষায়, বিদেশ থেকে হামলা সম্পর্কিত গোয়েন্দা রিপোর্ট পেয়েছিলেন যেসব নিরাপত্তা রক্ষাকারী কর্মকর্তারা তারা তা আমার সঙ্গে শেয়ার করেন নি। এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সম্পাদক ইথিরাজন আনবারাসান বলেছেন, হামলা সম্পর্কিত গোয়েন্দা রিপোর্ট নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীরা শেয়ার করেন নি এ কথা স্বীকার করে নেয়া এক বিব্রতকর অবস্থা।
ওদিকে বাত্তিকালোয়া শহরে চারদিকে বেদনার ছাপ। রোবারের বিস্ফোরণে নিহতদের ছবি সম্বলিত পোস্টার চারদিকে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে পার্টিতে যাওয়ার পোশাক পরা ছ্টো ছোট ছেলেমেয়ে। ছবির পাশে তাদের তাদের জন্মদিন ও মৃত্যুদিনের উল্লেখ করা হয়েছে।
তারা রোববার জিয়ন চার্চে গিয়েছিল, যেমনটা তারা প্রতি সপ্তাহে যায়। সেখানে প্রার্থনা সভার পরে তাদের কেউ কেউ ¯œ্যাকস খেতে বাইরে বেরিয়েছিল। তার অল্প পরেই বোমা বিস্ফোরণ ঘটে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর