× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার

দেশে বাল্যবিবাহের হার ৫৯ শতাংশ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৩:৩১

বাংলাদেশে কিশোরীদের মধ্যে বাল্যবিবাহের হার ৫৯ শতাংশ। ১৫ থেকে ১৯ বছরের কিশোরীদের ৩১ শতাংশ গর্ভবতী হন। ৪৩ শতাংশ কিশোরী মা গর্ভজনিত সমস্যার কারণে মৃত্যুবরণ করছে। কৈশোরকালীন প্রজনন হার প্রতি হাজারে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের মধ্যে ৭৮ জন।

আজ রাজধানীর মিরপুরে ওজিএসবি হাসপাতালের সভাকক্ষে ‘কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য ও জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণ’ বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য জানিয়েছেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন এমসিএইচ-সার্ভিসেস ইউনিটের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এমসিএইচ-সার্ভিসেস ইউনিটের প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এএন্ডআরএইচ) ডা. মো. জয়নাল হক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর সংজ্ঞা অনুযায়ী ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের কিশোর-কিশোরী এবং এ সময়কে কৌশোরকাল বলে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশের বেশি কিশোর-কিশোরী।
অর্থাৎ ১৬ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৩ কোটি ৬০ লাখ কিশোর-কিশোরী।

তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ এবং কৈশোর মাতৃত্ব বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা। কিশোরীদের মধ্যে বাল্যবিবাহের হার ৫৯ শতাংশ। কিশোর-কিশোরীদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ (৩০ শতাংশ) রক্ত স্বল্পতায় ভোগেন। বিবিএস’র তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত কিশোরীদের ৪২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ যথাক্রমে সারাজীবন ও বিগত ১২ মাসে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

পরিবার পরিকল্পনা ঢাকা বিভাগের পরিচালক এবং  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ব্রজ গোপাল ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সারোয়ার,  ঢাকা বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ মোহাম্মদ হাসান ঈমান, পরিচালক (এমসিএইচ) ও লাইন ডাইরেক্টর ডা. মোহাম্মদ শরীফ প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মোঃ এনামুল হক
২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:৩৪

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধি জনমত গঠনে এবং মিডিয়া কেউ তৎপর তার আছে মৌলবাদি ও ইসলাম পন্থিদের বাল্য বিবাহের পক্ষে প্রোপাগান্ডা,আমার মনে হয় এক্ষেত্রে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন নীতি জোরদার করার প্রয়োজন আছে,এটাই মনে হয় সময়ের দাবি।

অন্যান্য খবর