× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

ঘাটাইলে ৫ লক্ষাধিক মানুষের সেবায় ৪ ডাক্তার

বাংলারজমিন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি | ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৫৭

চিকিৎসক, জনবল ও প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব সহ নানা সংকটের মধ্যেদিয়ে চলছে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হয়েই চলছে ঢিলেঢালা কার্যক্রম। হাসপাতালে ২১ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৫ জন ডাক্তার কর্মরত আছেন। ১ জন ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। আর বাকি পদ শূন্য। বিশাল এই ৫ লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে ৪ জন ডাক্তারকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে রীতিমতো। আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক দিয়ে ঘাটাইল উপজেলা সর্ববৃহৎ হওয়ায় প্রতিদিন ইনডোর (ইমারজেন্সি) ও আউট ডোর (বহিঃবিভাগ) মিলে, প্রতিদিন ৫শ’ থেকে ৬শ’ রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয় এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে। ফলে ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে অনেক সময় ওয়ার্ড বয় দিয়ে চলে জরুরি বিভাগ ও বহিঃবিভাগ।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে নেই কোন অ্যাম্বুলেন্স, আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন ও কালার ডপলার ইকোমেশিন। এছাড়ও নেই কোন নিজস্ব জেনারেটর ও ডেন্টাল কার্যক্রম পরিচালনার উপকরণ। স্বল্প পরিসরে সিজারিয়ান ও জরুরি অপারেশনের ব্যবস্থা থাকলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে ঠিকমত সেবা প্রদান করা যাচ্ছে না। জরুরি রোগী এলেই সঙ্গে সঙ্গে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এতে রোগীদের যেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়, তেমনি অর্থনৈতিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। অপরদিকে  সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রাস্তায় অনেক রোগীর মৃত্যু হয়। তাছাড়া ওই উপজেলায় ৬টি সাব সেন্টার ও ৫১টি ক্লিনিক থাকলেও মানুষ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানা যায়। প্রতিটি সাব সেন্টারে একজন করে মেডিক্যাল অফিসার থাকার কথা থাকলেও কোন সাব সেন্টারেই কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই। হাসপাতালের সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে অত্র হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইফুর রহমান খান মানবজমিনকে বলেন- পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। আধুনিক যন্ত্রপাতি অ্যাম্বুলেন্স ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী না থাকায় গরিব, অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো আধুনিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চাহিদামতো সেবা দিতে পারছি না। গত কয়েকদিন আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজি, অতিরিক্ত সচিব সহ একটি অডিট টিম অডিট করতে এসেছিল। আমাদের সমস্যাগুলো তাদের নজরে এনেছি। আশা করছি অচিরেই এর সুফল উক্ত উপজেলার মানুষ ভোগ করবে।



অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর