× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

পাকিস্তানের ৫ তারকা হোটেলে হামলা, হতাহত ৭

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১২ মে ২০১৯, রবিবার, ১:৩২

পাকিস্তানের ৫ তারকা পার্ল কন্টিনেন্টাল হোটেলে হামলা চালিয়েছে অস্ত্রধারীরা। এ হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩ জন। তারা সকলেই ওই হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী। এছারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আরও ৪ জন। ওই হোটেলের ভিতরে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি চলছিল। হামলার দায় স্বীকার করেছে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাকামী একটি গ্রুপ। কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
শনিবার এ ঘটনা ঘটে গোয়াদারে অবস্থিত ওই হোটেলে।
বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল্লাহ ল্যাঙ্গোভি বলেছেন, হোটেল থেকে বেশির ভাগ অতিথিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই হোটেলের ভিতরে লড়াই চলার সময় আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দিচ্ছিল।
সেনাবাহিনী বলেছে, অস্ত্রধারীরা প্রবেশ করলেই নিরাপত্তারক্ষীরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন। হামলাকারীরা সিঁড়িতে অবস্থান নেয়, যা হোটেলের একেবারে উপরতলা পর্যন্ত বিস্তৃত। এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি নামের একটি গ্রুপ। তারা বলেছে, তাদের টার্গেট ছিল চীনা ও অন্য বিদেশী বিনিয়োগকারী। এই গ্রুপটি পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র এই প্রদেশটির অধিকতর শায়ত্তশাসন দাবি করে লড়াই করে আসছে। তারা এক টুইট একাউন্টে বলেছে, হামলাকারীরা তাদের সব টার্গেট অর্জন করেছেন।
এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি বলেছেন, এমন হামলা, বিশেষ করে বেলুচিস্তানে, আমাদের অর্থনৈতিক প্রকল্প ও সমৃদ্ধির বিরুদ্ধে একটি সাবোটাজ।
উল্লেখ্য, গোয়াদার হলো আরব সাগরের পাড়ে একটি কৌশলগত বন্দর। এর উন্নয়ন করা হচ্ছে ৬০০০ কোটি ডলারের চায়না পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর প্রকল্পের আওতায়। এই প্রকল্পটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড বিষয়ক প্রকল্পের অংশ।
পার্ল কন্টিনেন্টাল হোটেলটি ওই বন্দরের কাছে একটি পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এখানে বিদেশী অতিথিরা, বিশেষ করে ওই প্রকল্পের চীনা স্টাফরা অবস্থান করেন। লাঙ্গোভি বলেছেন, ঘটনার সময় ওই হোটেলে এমন কেউ সেখানে ছিলেন না। হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামাবাদে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইন প্রয়োগকারীদের ভূমিকাকে বীরোচিত আখ্যায়িত করে উচ্চ প্রশংসা করা হয়েছে এতে। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে এমন হমলার বিষয়ে তারা আগে থেকে সতর্ক ছিলেন। পুরো পাকিস্তানে কয়েক বছরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর