× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার

ওয়াসার পানি পরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:৪৪

আদালতের নির্দেশ অনুসারে ঢাকা ওয়াসার কোন কোন এলাকার পানি সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিল না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে তা নির্ধারণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে আগামী ১৫ই মে বুধবারের  মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বিচারপতি  জেবিএম হাসান ও বিচারপতি  মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট  বেঞ্চ এই আদেশ  দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন, আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার  হোসেন সাজু। ঢাকা ওয়াসার অনিরাপদ পানি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল গতকাল। কিন্তু ওয়াসার পক্ষ থেকে বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। তখন আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা ওয়াসার ১১টি পানির জোন রয়েছে। প্রত্যেকটি থেকে দুই বোতল পানি নিয়েই তো পরীক্ষা করা যায়।
কিন্তু কোনও কথাই শুনছে না স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তারা (স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়) হাইকোর্টকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে। শুনানিকালে আদালতে রিটকারী আইনজীবীর কাছে অনিরাপদ পানি সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত বেশ কিছু প্রতিবেদন আদালতের কাছে তুলে ধরা হয়। ওইসব প্রতিবেদনে ঢাকার ১৬টি এলাকার ওয়াসার পানি ব্যবহারের একেবারে অনুপযোগী বলে তথ্য উঠে আসে। এরপর পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে, তা প্রতিবেদন আকারে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তখন ওয়াসার পক্ষ থেকে খরচ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলে সাত দিন সময় চাওয়া হয়। কিন্তু খরচ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী বুধবারের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত বলেন, বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল না করলে অতিরিক্ত সচিবকে তলব করা হবে।
২০১৮ সালের ১১ই অক্টোবর বিশ্বব্যাংক-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়,  দেশের সাড়ে সাত  কোটি মানুষ অনিরাপদ উৎসের পানি পান করে। ৪১ শতাংশ পানির নিরাপদ উৎসগুলোতে রয়েছে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা পানিতে এ ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮২ শতাংশ। ১৩ শতাংশ পানিতে রয়েছে আর্সেনিক। ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরে প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। এরপর ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ  দেন হাইকোর্ট। এছাড়া, কমিটিকে পানি পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর