× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার

তারাবি নামাজের সময় মসজিদের বাইরে বিস্ফোরণে নিহত ৪, দায় স্বীকার তালেবানের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ১১:০৭

তিন দিনের মধ্যে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে দ্বিতীয় হামলা হয়েছে। একটি মসজিদে যখন মুসল্লিরা তারাবি নামাজ আদায় করছিলেন তখন এর বাইরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এতে কমপক্ষে ৪ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এর দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন।

বেলুচিস্তানের রাজধানীর স্যাটেলাইট টাউন এলাকায় একটি মসজিদের বাইরে এ ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে ওই মসজিদে যখন মুসল্লিরা তারাবিহ নামাজ আদায় করছিলেন, তখন তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে সেখানে পৌঁছে পুলিশের একটি ভ্যান। এর অল্প সময়ের মধ্যেই বিস্ফোরণ হয়।
এর আগে গোয়াধারে একটি বিলাসবহুল ৫ তারকা হোটেলে গুলি চালায় স্থানীয় উগ্রপন্থিরা। সর্বশেষ বিস্ফোরণের বিষয়ে কোয়েটার ডিআইজি রাজ্জাক চিমা বলেছেন, মসজিদটিতে মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশবাহী ওই ভ্যানটি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে টার্গেট করা হয়েছে। এতে র‌্যাপিড রেসপন্স গ্রুপের (আরআরজি) চার সদস্য নিহত হয়েছেন। বাকি একজনের অবস্থা গুরুত্বর। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ ইশহাক, গোলাম নবী, মুশতাক শাহ ও জুলফিকার আলী।

তিনি আরো জানান, পুলিশ ভ্যানের কাছেই একটি মোটরসাইকেল দাঁড় করানো ছিল। এর সঙ্গে স্থাপন করা ছিল বিস্ফোরক। সূত্রগুলো বলছে, অজ্ঞাত লোকজন ওই মোটারসাইকেলটি স্যাটেলাইট টাউন এলাকায় মসজিদের কাছে পার্কিং করে রাখে। সেখানে পুলিশ ভ্যান পৌঁছার পর রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ওই বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ফলে ঘটনাস্থলেই এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হন। আহত হন পুলিশ সহ ১৫ জন। এর মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুলিশ সদস্য।

বিস্ফোরণের পর পরই সেখানে উদ্ধার অভিযানে নামে পুলিশ ফ্রন্টিয়ার কোরের সদস্যরা ও উদ্ধারকারীরা। তারা দ্রুত মৃতদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে পাঠায় সিভিল হাসপাতাল কোয়েটায়। সেখানে পৌঁছানোর অল্প সময়ের মধ্যে মারা যান আহত তিন পুলিশ সদস্য। হাসপাতালের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, আহত এক পুলিশ সদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বিস্ফোরণের সময় ওই এলাকায় বেশকিছু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আশপাশের অনেক ভবনের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে। তবে এতে মসজিদের কোনো ক্ষতি হয় নি।  ঘটনার পর পরই নিরাপত্তারক্ষীরা ওই এলাকা ঘিরে ফেলে। শুরু করে তল্লাশি। বিস্ফোরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, এভাবে হামলা চালিয়ে সরকার ও নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের নৈতিকতার অধঃপতন ঘটানো যাবে না। সন্ত্রাসী ও তাদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে তিনি সরকার ও নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের কঠোর ও অব্যাহত পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সব ধরনের উপায় অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিহত পুলশ সদস্যদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shanto
১৫ মে ২০১৯, বুধবার, ১১:১১

এরা ইহুদ নাসারার দালাল বা স্পাই। মসজিদে আক্রমণ কারী কখনই মুসলিম হতে পারেনা। মুসলমানদের জংগী প্রমান করার জন্য বিভিন্ন নামে এরা সারা বিশ্বে আক্রমন বা কাজ করে যাচ্ছে। যারা প্রকৃত মুস্লিম তাদের এব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।

Kazi
১৩ মে ২০১৯, সোমবার, ১১:৪২

এরা না কি ইসলাম কায়েম করবে ? তালেবান হায়মান (অর্থাৎ পশু)।

অন্যান্য খবর