× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার

হামলার ঘটনা অত্যন্ত সামান্য

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, ১০:২৪

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ সংগঠন, যে সংগঠনের লাখ লাখ নেতাকর্মী মুজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে আছেন। এমন একটি সংগঠন যার হাজার হাজার নেতাকর্মী আছে, লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী আছে। তাদের মধ্যে যোগ্য নেতারা সকলে পদ-পদবির প্রত্যাশা করেন। কিন্তু সবাইকে তো আর পদ-পদবি দেয়া সম্ভব হয় না। সেই সুযোগও হয় না। একইসঙ্গে তিনি ছাত্রলীগের সদ্যগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের ওপর পদপ্রাপ্তদের হামলার ঘটনা ‘অত্যন্ত সামান্য’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এ নিয়ে বেশি  উদ্বেগ প্রকাশের কিছু নেই। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকই এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। গতকাল ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর সঙ্গে সহযোগী সংগঠন ও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের এক যৌথসভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, পদের সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থেমে যায়। স্বাভাবিকভাবেই কমিটি হওয়ার পর সকলে যখন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয় না তখন কিছু ব্যক্তির মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এটা হওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রায় সব জায়গায় এমন একটা পরিস্থিতি দেখা যায়। আর যেহেতু ছাত্রসমাজ তরুণ। তাদের মধ্যে হয়ত ক্ষোভটা কোনো কোনো সময় একটু বেশি আকারে দেখা যায়। এছাড়াও ছাত্রলীগের অনেকে ভেবেছিলেন বড় পদ পাবেন, সেটা হয়ত পাননি। তারা হয়ত অপেক্ষাকৃত ছোট পদ পেয়েছেন। এই ধরনের দুই একজনের ক্ষোভ থাকতে পারে। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার জন্য ক্ষণে ক্ষণে তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। বিএনপি বর্তমানে চরম বিশৃঙ্খল একটি রাজনৈতিক দল। এ দলটি কখনো এখান থেকে, কখনো লন্ডন থেকে, কখনো বা কারাগার থেকে পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, জনগনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া ও আন্দোলনের নামে মানুষ মারার জন্য বিএনপি দেউলিয়া হয়ে গেছে। গণমাধ্যমের ওপর ভর করে দলটি টিকে আছে। এ দলটিকে নিয়ে যত কম মন্তব্য করা যায় ততই ভালো। আগামী ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সম্পর্কে কর্মসূচী ঠিক করতে এ যৌথ সভার আয়োজন করা হয়। এ প্রসঙ্গে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন,আগামী ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, সারাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগেও আওয়ামী লীগ এবং সহযোগি ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে। আওয়ামী লীগের অন্যতম এই মুখপাত্র বলেন, এছাড়াও ১৭ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দলের ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগি সংগঠন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন ও কর্মের ওপর ধারাবাহিকভাবে আলোচনা সভার আয়োজন করবে। আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রসঙ্গে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আগামী অক্টোবরে আওয়ামী লীগের বর্তমান কার্য নির্বাহী সংসদের মেয়াদ শেষ হবে। নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে দলের জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, তৃনমূল থেকে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর জন্য জাতীয় সম্মেলনের আগে দেশের জেলা ও উপজেলা সম্মেলন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৮টি সাংগঠনিক টিম গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা বিভাগের বেশ কয়েকটি জেলায় বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলার সম্মেলনের সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃনমূল থেকে সম্মেলন করে জাতীয় সম্মেলন আয়োজন করার জন্যও মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সহযোগি সংগঠনগুলোর প্রতি আহবান জানান তিনি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের তথ্য নিয়ে ডাটাবেজ তৈরির বিষয়ে তিনি বলেন,প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে দলের ডাটাবেজ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে ঈদ-উল-ফিতরের পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকে প্রয়োজনীয় সকল নির্দেশনা দেয়া হবে। দলের ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগি সংগঠনের নেতাদেরও অনুরুপ ডাটাবেজ তৈরি করার জন্যও আহবান জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক,সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর,ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত,মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানসহ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর