× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার

ফাইনালের ‘অতীত’ ভুলতে বললেন বাশার

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৬ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৪৮

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ দল। শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরপর দুই ম্যাচে হারিয়েছে টাইগাররা। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই মাশরাফি বিন মুর্তজারা নিশ্চিত করেছেন ফাইনাল। তবে এত সাফল্যের পরও বাংলাদেশ ভক্ত-সমর্থক থেকে শুরু করে ক্রিকেট বোদ্ধা- সবারই মনের কোণে অজানা ভয়। আরেকটি ফাইনাল হারার বেদনায় পুড়তে হবে না তো? এর আগে ৪টি ফাইনালে মিলেছে শুধু হাতাশাই। তবে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক হাবিবুল বাশার দলকে অতীত ভুলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ফাইনাল শুনলেই ভয় হয়। আসলেই ভয় হয়। তবে আমরা এমন পরিস্থিতিতে পড়ে শিখেছি। তাই এখন উচিত হবে অতীতের ফাইনালের কথা চিন্তা না করে নতুন করে শুরু করা। যেভাবে খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ, সেভাবে খেলতে পারলে আশা করি এবার ইতিহাস বদলাবে। আমি বলবো সহজাত খেলাটাই খেলতে হবে। ফাইনাল বলে কোন বাড়তি চাপ নেয়া যাবে না। আগের ম্যাচগুলোর প্রভাবটা ধরে রাখতে হবে। তাহলেই আশা করি জয় সম্ভব।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২৬১ রান তাড়া করে ৮ উইকেটের বড় জয় পায় বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে টাইগাররা ২৪৭ রান তাড়া করে জেতে ৫ উইকেটে। বলার অপেক্ষা রাখেনা বোলিং, ফিল্ডিং ও শেষে ব্যাটিং তিন বিভাগেই দারুণ ছিল বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। এরপরও কিছু ঘাটতি তো থাকেই। দলের ভালো-মন্দ দিক নিয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘দুটি ম্যাচে বাংলাদেশ দারুণ খেলেছে। যেমনটা আমাদের আশা ছিল বিশ্বকাপ দলটির কাছে সেটিই হয়েছে। প্রথমে বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩’শর নিচে আটকে রাখতে পেরেছে। পেসার ও স্পিনাররা ভালো বল করেছে। ফিল্ডিংও খারাপ হয়নি একেবারে। আর ব্যাট হাতে প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডার দারুণ করেছে। দ্বিতীয় ম্যাচে টপ অর্ডার ভালো না করলেও হাল ধরেছেন মিডল অর্ডার। বলা যায় যখন যা প্রয়োজন সেটিই করেছে ব্যাটসম্যানরা। হ্যা, লেজের দিকের শক্তিটা দেখা হয়নি। তারপরও যা হয়েছে আমি সন্তুষ্ট।’

বিশ্বকাপ দলের জন্য আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ এক পরীক্ষা। এক ম্যাচ বাকি থাকতে ফাইনাল নিশ্চিত করে সেই পরীক্ষায় পাশ মার্ক তুলেছে টাইগার ক্রিকেটাররা। এবার ট্রফি জয় দিয়ে আত্মবিশ্বাসটা শক্ত করার পালা। ফাইনালে একাদশ কেমন হবে- এ বিষয়ে বাশার বলেন, অবশ্যই ফাইনালে জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস দিবে বিশ্বকাপের জন্য। তবে চাপ নেয়া যাবেনা। আমি বলবো যেভাবে খেলছে সেভাবেই খেলা উচিত। প্রথম দুই ম্যাচ দেখেন, আমাদের একটা একাদশ কিন্তু দাঁড়িয়ে গেছে। তামিমের সঙ্গী হিসেবে সৌম্য নিজেকে প্রমাণ করেছে। টপ অর্ডারে যার যা দায়িত্ব সেটি পালন করেছে। সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ ফর্মে আছে। পেসার যারা ছিল তারাও ভালো করেছে। স্পিনাররাও প্রমাণ করেছে নিজেদের। তাই আমি মনে করি প্রথম দুই ম্যাচের একাদশটাই ফাইনালে থাকা উচিত।
‘ফরহাদ-ইয়াসিরের ভাগ্যে ছিল না!’

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ফাইনাল নিশ্চিত হওয়াতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল নিয়মরক্ষার। তবে বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচে হার-জিতের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি। বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া মোসাদ্দেক হোসেন, রুবেল হোসেন ও আবু জায়েদ রাহীকে সুযোগ দেয়া হয়েছে এই ম্যাচে। তবে দলের সঙ্গে থাকা ফরহাদ রেজা ও ইয়াসির আলী রাব্বি ও নাঈম হাসানরা সুযোগ পাননি। ফাইনালেও তাদের সুযোগ হচ্ছে না, তা এরকম নিশ্চিত। ফলে আয়ারল্যান্ড সিরিজে গিয়ে কোন ম্যাচ না খেলেই ফিরতে হবে তাদের দেশে। এ বিষয়ে নির্বাচক হিসেবে হাবিবুল বাশার বলেন, দেখুন, আয়ারল্যান্ড সিরিজ আমাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির অংশ। সেখানে তো বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদেরই সুযোগ দিতে হবে। নয়তো ওদের প্রস্তুতির সুযোগ থাকছে না। এ কারণেই ফরহাদ, ইয়াসিরদের বসে থাকতে হয়েছে। এখানে কোন ব্যক্তিগত ইস্যু নেই। দলের প্রয়োজনেই এমন সিদ্ধান্ত। আরেকটা বিষয় হল প্রতিটি ওয়ানডে ম্যাচের পয়েন্ট। হারলেই পয়েন্ট কাটার ভয় থাকে। তাই যেভাবে খুশি একাদশ সাজালেই হবেনা। সবমিলিয়ে কারো ব্যক্তি কোন কারণ এখানে নেই। আর ওদের যে  সামনে সুযোগ হবেনা তাও নয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর