× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার

‘আগ্রাসন ও পরিণতি’ নিয়ে জিসিসি, আরব লীগের জরুরি বৈঠক ডেকেছে সৌদি আরব

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৪:০৫

পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা তুঙ্গে। এ অবস্থায় গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) এবং আরব লিগের আলাদা আলাদা জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান। সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি এ খবর দিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ মে পবিত্র মক্কা নগরীতে আলাদা দুটি সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে। একটি সম্মেলন হবে জিসিসির। অন্যটি হবে আরব লিগের। এ দুটি সম্মেলনেই আঞ্চলিক ‘আগ্রাসন ও তার পরিণতি’ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরানের কথিত হুমকির প্রেক্ষাপটে পারস্য উপসাগরে রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছে। তা নিয়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে আক্রমণ করে কথা বলছে। সব মিলে পারস্য উপসাগর পরিস্থিতি ক্রমশ তিক্ত হয়ে উঠছে। সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবেইর বলেছেন, তার দেশ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে চায় না। তবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রস্তুত তারা।  

সৌদি আরবের এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলে গত রোববার রহস্যময় ‘সাবোটাচ’ হামলায় সৌদি আরবের দুটি সহ চারটি তেলবাহী ট্যাংকারের বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছে। পারস্য উপসাগরে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পথে এ ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বড়মাপের একটি তেলের পাইপলাইনে ড্রোন হামলা চালায়। যদি কোনো কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যায় তাহলে এই পাইপলাইনটি তেল রপ্তানির বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পারমাণবিক চুক্তি প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। তারপর তেহরানের ওপর নতুন করে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সেই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাতময় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যেই বার বার হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।
 
আদেল আল জুবেইর বলেছেন, তেলের ট্যাংকারে হামলায় কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তিনি আরো বলেছেন, আমাদের কাছে কিছু তথ্য এসেছে। তদন্ত শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমরা তা প্রকাশ করবো। ওদিকে আন্তর্জাতিক সংশয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বার বার ইঙ্গিত করছে যে, ইরানের পক্ষ থেকে ক্রমশ হুমকি আসছে। এই দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরাইল ও সৌদি আরব দীর্ঘ সময় ধরে শত্রু ও প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। রোববার সৌদি প্রেস এজেন্সি বলেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৮:১৬

আগ্রাসন চালাচ্ছে সৌদি। বিশ্বের মুসলিম ও অমুসলিম জাতি তা-ই মনে করে। ইয়েমনে বছরের পর বছর ধরে নিরীহ জণসাধারণ হত্যাকারী সৌদি। আল্লাহ সম্পদ দিয়ে মানুষকে পরীক্ষা করেন। সৌদি সেই পরীক্ষায় ব্যর্থ।

Monsur
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৭:১৯

Saudi Arabia is the key of all the atrocities in Middle East and responsible for Muslims' destitute around the World.

আবুজাবের
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৬:৩৩

আমি মনে করি সৌদিআরবের বুঝা উচিত যদি আল্লাহ না করুন যুদ্ধ হয় তাহলে শুধু ঈরান ক্ষতিগ্রস্ত হবেনা সারা মধ্যেপ্রাচ্যে ধাও ধাও করে আগুন জলবে আল্লাহ যেন আমাদের হিফাজত করেন আমিন।

Selina
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৫:২৫

Unity....unity ... only unity....no alternative.the Muslim ummah like a single body . Hope KSA play the right role to unite the ummah.

Farhaduzzaman
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৪:৩৯

আমি একজন সুন্নি হয়ে বলছি, মুসলমানের পতনের মূলে রয়েছে সৌদি রাজ পরিবার।

Raju
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৫:৩৩

ধন্যবাদ হুতি বিদ্রোহীদের। ছোট্ট করে হলেও শত শত ইয়েমেনী মুসলমানদের রক্ত খেকো সৌদিকে জবাব দিতে পেরেছে। আল্লাহ, জালিম সলমানদের থেকে বিশ্বমুসলিমকে উদ্ধার করো। পবিত্র মক্কা-মদিনাকে এই জালিমদের হাত থেকে হেফাজত করো। আমীন

Mohammad
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ৩:২৭

All problems create by Saudi Arabia,UAE And Israel. Iran is a peace loving country all ways support Muslims and Islam but some Arab regime with enemies of Islam and Israel.

অন্যান্য খবর