× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার
রূপপুরে হরিলুট

বিল বন্ধের নির্দেশ দুই তদন্ত কমিটি

প্রথম পাতা

বিশেষ প্রতিনিধি | ২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১০:১৬

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের আবাসন নির্মাণে হরিলুটের তথ্য প্রকাশের পর সব ধরনের স্থানীয় ঠিকাদারি বিল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় । একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে আলাদা আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ভবনের আসবাবপত্র ও বালিশ কেনাসহ অন্যান্য কাজের অস্বাভাবিক খরচ তদন্ত করবে এ কমিটি। রূপপুর নিয়ে গতকাল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেনের স্বাক্ষর করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে আলাদা একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার বিল বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ডেলিগেটেড ওয়ার্ক হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তর নির্মাণাধীন ছয়টি ভবনে আসবাবপত্রসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রণয়নপূর্বক ৬টি প্যাকেজে ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্যাকেজের প্রতিটির ক্রয়মূল্য ৩০ কোটি টাকার নিম্নে প্রাক্কলন করায় অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগ দেয় গণপূর্ত অধিদপ্তর।
এক্ষেত্রে দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রণয়ন, অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আলোচ্য কাজের বিপরীতে এখনও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। এদিকে সমপ্রতি দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হওয়ায় তোলপাড় চলছে দেশজুড়ে।
একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা।

এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে ওঠাতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। এরই মধ্যে নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, এ প্রকল্পের সব পদেই অস্বাভাবিক বেতন-ভাতা ধরা হয়েছে। বেতন ছাড়াও আরও কয়েকটি খাতে অস্বাভাবিক ব্যয় ধরে চূড়ান্ত করা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ। এ প্রকল্পের প্রকল্প-পরিচালকের বেতন ধরা হয়েছে চার লাখ ৯৬ হাজার টাকা। পাশাপাশি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন, এজন্য আরও দুই লাখ টাকা পাবেন। সব মিলিয়ে প্রকল্প পরিচালক পাবেন ছয় লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া গাড়ি চালকের বেতন ধরা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭০৮ টাকা, রাঁধুনি আর মালির বেতন ৬৩ হাজার ৭০৮ টাকা। এসব তথ্য গণমাধ্যমে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সালোচনা চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Sujan
২২ মে ২০১৯, বুধবার, ৪:২৩

90 percent of government employees are thief.

রহমান মাহফুজ
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১১:৩৬

এসব দূর্ণীতি অনিয়ম দেখতে আর শুনতে আমার আর বাংলাদেশে থাকতে ইচ্ছে করেনা। তবে আশার আলো মাননীয় মন্ত্রী সাহেব একটা একশান দেখাতে পারে! আর না হলেতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছেন। দেখা যাক কি হয়! তবে আমি আশাবাদী ভালো কিছু হবে। দুর্নীতিবাজরা আইনের আওতায় আসবে।

মফিজ
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১০:৪১

এদের এমন দুঃসাহস হয় কীভাবে?

Forkan
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১:৫২

হ জ র ল ব হরিলুটের

আকবর
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১:৩৯

যারা মতামত দিচ্ছেন তারা হয়ত ভুলে যাচ্ছে আমরা বাংগালী আর এই দেশটা বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সব সম্ভাবনার দেশ।

আদম আলি
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ৯:৫৫

মাননীয় মন্ত্রী সাহেব এই বিল টা যখন পাস হয় তখন তদন্ত কমিটি কথায় ছিল ? চুরি ধরার পর কমিটি গঠন , এই সব অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্যই কি আপনাদের বসানো হয়েছে ? টিনের চশমা টা খুলে ভাল টা পড়ুন ............

সাহেদ
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ১:২৭

রুপকথার গল্পেও এমন লুটপাটের কথা শুনি নাই। আমরা কোন রাজ্যেয় বসবাসকরি।এখানে শুধু রাক্ষসই আছে

সাইফ
১৯ মে ২০১৯, রবিবার, ১২:৪৫

হরিলুট কোথায় নেই এই সরকারের বলুনতো ! ব্যক্তির উন্নয়ন হলেইতো রাষ্ট্রের উন্নতি হবে, দেশের উন্নতি হবে। তাইতো দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে !

অন্যান্য খবর