× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার

জরিপকে আমল না-দিয়ে জোটে নজর বিরোধীদের

ভারত

পরিতোষ পাল, কলকাতা থেকে | ২০ মে ২০১৯, সোমবার, ৮:১৬

বুথফেরত জরিপে ফের এনডিএ-র ভূমিধ্বস জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও বিরোধীরা তাকে আমল দিতে রাজি হয়নি। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী তো ২৩ মে চমক দেখার জন্য অপেক্ষা করতে বলেছেন। আর তাই কোনও রকম আশা ছাড়ছেন না মহাজোটের নেতারা। ২৩ মে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে যদি এই সব জরিপের ফল না মেলে, তবে সেই পরিস্থিতিতে ঠিক কোন পথে এগোতে হবে তারই কৌশল ঠিক করতে চরম ব্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। সোমবারই তিনি কলকাতায় এসে বৈঠক করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়েছে তাঁদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে কোন পথে এগুনো হবে, সেই কৌশল নিয়েও কথা হয়েছে তাদের মধ্যে বলে জানা গেছে। নির্বাচনের অনেক আগেই কেন্দ্রে অ-বিজেপি সরকার গঠনের লক্ষ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সভায় সব অবিজেপি বিরোধীদের নিয়ে ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার ডাক দিয়েছিলেন।  তবে নির্বাচন চলাকালীন চন্দ্রবাবু নায়ডু দেশের একাধিক নেতা-নেত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাঁকে সূত্রধরের ভূমিকায় রেখেই মহাজোটের নেতানেত্রীদের এক জোট করতে উদ্যোগী হয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও। চন্দ্রবাবু গত কয়েক দিনে দেখা করেছেন সোনিয়া, রাহুল ছাড়াও এনসিপি নেতা শরদ পওয়ার থেকে শুরু করে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গেও। লখনউতে গিয়ে কথা বলেছেন মায়াবতী ও অখিলেশ যাদবের সঙ্গে। এনডিএ সরকারকে ঠেকাতে এবং মহাজোটের স্বার্থে তিনি যে তাঁর ‘রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী’ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সে বার্তাও দিয়েছেন চন্দ্রবাবু। তবে মায়াবতী দিল্লিতে এসে সোনিয়া ও রাহুলের সঙ্গে কথা বলবে বলে জানা গেলেও জরিপের ফল প্রকাশের পরই মায়াকতী এই বৈঠকের খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে চন্দ্রবাবকু মায়াবতী ও অখিলেশের সঙ্গের আলোচনার বিষয়বস্তু সব নেতাদের জানিয়েছেন।

কংগ্রেসের নেতারা বলছেন, বুথ ফেরত সমীক্ষা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মেলেনি। এ বারেও তাই হবে। কিন্তু এনডিএ-র শরিকদের নিয়ে মোদী যথেষ্ট আসন না পেলে কেসিআর-জগনরা যাতে বিজেপির সঙ্গে না যান, তার চেষ্টা এখন থেকেই করা হচ্ছে। সকলের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হয়েছে। দূত মারফত কেসিআর জানিয়েছেন, তিনি কোনও অবস্থাতেই বিজেপির সঙ্গে যাবেন না। তাতে তাঁর নিজস্ব ভোটব্যাঙ্ক নষ্ট হবে। আর কেসিআর যেখানে থাকবেন, জনগনও সঙ্গে যাবেন। ফলে গোটা ভোট প্রক্রিয়ায় রাহুল গান্ধী যেমন নরেন্দ্র মোদীর জন্য সব পথ বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন, ভোটের পরেও এখন সেই কাজটি করছে কংগ্রেস। আর তাই সোনিয়া গান্ধী দলের নেতাদের রাও, নবীন ও রেড্ডির সঙ্গে কথা বলতে বলেছেন। এদেরও সোনিয়া আগামী শুক্রবার বৈঠকে ডেকেছেন।  এদিকে এনডিএ-র শরিক নীতীশ কুম রের মুখে অন্য সুর শোনা যাওয়ায় বিরোধী শিবিরে আশার আলো জেগেছে।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর