× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৭ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার

আমার মনে হয় আপনারা ব্যাখ্যা পাবেন: আইনমন্ত্রী

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:৪৯

বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ প্রচার না করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের বিষয়ে দ্রুত ব্যাখ্যা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। গতকাল দুপুরে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন না করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আলাপচারিতা চলছে, কিছুটা (বিজ্ঞপ্তি নিয়ে) যদিও ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে সে ব্যাপারটা তাদের (আপিল বিভাগের বিচারপতিদের) বিবেচনায় আছে। আমার মনে হয় আপনারা দ্রুত এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা পাবেন। কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে কী ব্যবস্থা নেয়ার আছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো সমস্যা যদি হয়, তাহলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদের অধিকারী। তার কাছে কোনো না কোনো নালিশ পাঠানো যেতে পারে এবং তার যথেষ্ট ক্ষমতা আছে। তাছাড়া সংবিধানের মধ্য থেকেই তিনি বিবেচনা করতে পারেন।
সেটা তার বিবেচ্য বিষয়। ষাড়শ সংশোধনীর ব্যাপারে যে শূন্যতা, সে শূন্যতার কারণে কোনো কিছুই মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো যাবে না, এটা ঠিক না। বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর সময়ে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যাস্ত করা হয়। পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় গিয়ে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী এনে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন। পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১৪ সালে সংবিধানে ষোড়শ সংশোধনী এনে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নেয়। ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন হলে ২০১৬ সালে হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। পরে আপিল বিভাগও সেই রায় বহাল রেখে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল আবার ফিরিয়ে আনেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর