× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দিলো পুলিশ সদস্য

শেষের পাতা

মাদারীপুর প্রতিনিধি | ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:৫৯

মাদারীপুর পৌরসভার টিবি ক্লিনিক সড়কে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ঘরের  ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মোক্তার হোসেন নামে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নির্যাতিত স্কুলছাত্রীকে গত রোববার রাতে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর পুলিশ লাইনের পুলিশ সদস্য মোক্তার হোসেন দীর্ঘদিন থেকে শহরের টিবি ক্লিনিক সড়কে ভাড়া থাকেন। কয়েক দিন আগে মোক্তারের গর্ভবতী স্ত্রী গ্রামের বাড়ি চলে যান। এই সুযোগ রোববার রাতে শহরের টিভি ক্লিনিক সড়কের প্রতিবেশী এক স্কুলছাত্রীকে ঘরে ডেকে নেয়। এসময় দরজা বন্ধ করে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশ সদস্য মোক্তার হোসেন স্কুলছাত্রীকে পেছনের ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয়। এতে স্কুলছাত্রী গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। নির্যাতিত স্কুলছাত্রী জানায়, ‘মোক্তার হোসেন আমাকে তার ঘরে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে আমার সাথে খারাপ কাজ করেছে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিলে আমাকে সে ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয়। এতে আমার পায়ের হার ভেঙে গেছে। এর আগে সে আমাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে।’

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘক্ষণ ঘরের মধ্যে ওই মেয়েকে নিয়ে থাকায় আমাদের সন্দেহ হয়। পরে আমরা বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিলে সে মেয়েটিকে ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয়। এতে মেয়েটি গুরুতর আহত হয়। সে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. লেলিন জানান, ‘মেয়েটি হার ভেঙে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সেরে উঠতে কমপক্ষে আরো ৩ মাস সময় লাগবে।’

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মোক্তার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে শুধু শুধু স্থানীয়রা ঘরের বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। ওই মেয়ের সাথে আমার কিছু হয়নি। বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে আপনি পুলিশ সুপার বা ওসির সাহায্য নেননি কেন? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি। মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। এ ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। অধিকতর তদন্ত চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সাহেদ
২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:০৯

এ জারজের যদি কন্যা সন্তান হয়।তাহলে আমার হাতে তুলে দিন আমি তাকে ধর্ষণ করবো দেখি তার কেমন অনুভব হয়।আমার মনে হয় এ জারজের মন্দ লাগবে না।

Arun
২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:৪০

The most corrupt and inferior agency in Bangladesh.

Dupur
২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:২০

Will government take enough action

মানিক হুন্দাই
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১০:৪১

শেষবধি শুনা যাবে মেয়েটি ভেন্টিলিটার দিয়ে পুলিশের ঘরে ঢুকার চেষ্টা করতে গিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়!এটাই বাংলাদেশ!!

Sarwar
২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:১৫

Police apnar bondhu. Jekono projone polisher sahajjo nin.

kamal
২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১১:৩৪

দেখা যাক আমাদের দেশের আইন কি করে আমার মনে হয় আখের বলবে গরু কেন গাস খায়

অন্যান্য খবর