× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার

বিজেপিতে উল্লাস, বিকেলে বৈঠক

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১:০০
প্রতীকী ছবি

বিজেপিতে উল্লাস। যেন ফেটে পড়ছেন নেতাকর্মীরা। নয়া দিল্লিতে অবস্থিত দলীয় প্রধান কার্যালয়ের সামনে সমর্থক, শুভাকাঙ্খীদের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। তাদের মাঝে জয়ের আনন্দে এক অসাধারণ উন্মাদনা। আতশবাজি পোড়ানো হচ্ছে। বিতরণ করা হচ্ছে মিষ্টি। লোকসভা নির্বাচনের ফল গণনায় ভূমিধস বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের দল। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা তার বাসভবনের বাইরে জনগণের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বাড়ির বাইরে সমবেত হয়েছে জনতা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। তিনি তাদের সঙ্গে হাসি বিনিময় করেছেন, হাত নেড়েছেন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আজ স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় দিল্লিতে পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা আহ্বান করেছে বিজেপি। দলটির প্রধান কার্যালয়গামী সব সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অনলাইন আনন্দবাজার পত্রিকার হিসাবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে আছে ৩৩৪ আসনে। তবে অনলাইন এনডিটিভি বলছে, এ সংখ্যা ৩৪৮। যদি চূড়ান্ত ফল এমনই হয় তাহলে ভয়াবহ পরাজয়ের মুখোমুখি হবে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।
ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর খুনি নাথুরাম গডসেকে ‘দেশপ্রেমিক’ অভিহিত করেছিলেন বিজেপির প্রার্থী  সাধ্বী প্রজ্ঞা, তিনি ভুপালে কংগ্রেসের প্রার্থী দিগি¦জয় সিংয়ের থেকে এগিয়ে আছেন। সাধ্বী বলেছেন, জনগণ আরো একবার বিজেপির প্রতি তাদের আস্থা জানিয়েছে। এ জন্য আমি কৃতজ্ঞ। উল্লেখ্য, মহাত্মা গান্ধীর খুনি নাথুরাম গডসেকে দেশপ্রেমিক আখ্যায়িত করে নিজ দল বিজেপির ভিতরেও তীব্র সমালোচিত হন প্রজ্ঞা। তাকে দল থেকে বহিষ্কারের আবেদন জানান শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী। অবশেষে প্রজ্ঞা ক্ষমা চান। কিন্তু তাকে ক্ষমা করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনটা হলেও তিনি প্রজ্ঞাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন নি।
এবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন অভিনেতা বিবেক ওবেরয়। তিনি অনলাইন জি নিউজকে বলেছেন, নির্বাচনের ফলের যে ট্রেন্ড এই মুহূর্তে তাতে দেখা যাচ্ছে, জনগণ নরেন্দ্র মোদির পক্ষে তাদের আস্থা প্রকাশ ঘটিয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে এখন এগিয়ে আছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তিনি গান্ধীনগরে কমপক্ষে তিন লাখ ২৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে আগানো। ভারতের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী এল কে আদভানির স্থানে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে এবার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
পলাশ
২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:০৮

Mr. Mizanur Rahman ঠিকই বলেছেন। প্রকৃতির প্রতিশোধ এমনই হয়।

নেছার আহমেদ
২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:৫৪

বিজেপি হল ভারতের সবচেয়ে উগ্রবাদী সাম্প্রদায়ীক শক্তি। তো ভারতবাসী যখন এই কট্টর সাম্প্রদায়ীক শকিতকেই রায় দেয় তখন জাতিগতভাবে ভারতীয়রা যে উগ্র ও কট্টর সেটা আর নতুন করে বলে দেয়া লাগে না !!

Mizanur Rahman
২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৮

১৪ সালের বাংলাদেশের নির্বাচনেে কংগ্রেসের নগ্নহস্তক্ষেপের কারনেই কংগ্রেসের আজকে এই অবস্থা।

অন্যান্য খবর