× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নাটকীয় উত্থানে বিস্মিত চন্দন মিত্র

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৩:২৮

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নাটকীয় উত্থানে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চন্দন মিত্র। তিনি গত বছর বিজেপি ছেড়ে যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। চন্দন মিত্র বলেছেন, সুস্পষ্টভাবে এটা (বিজেপির উত্থান) বিস্ময়কর। এক বছর আগেও তাদের কোথাও খুঁজে পাওয়া যেতো না। কিন্তু গত দুটি নির্বাচনে তাদের ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে। তারা যদি এরপরে রাজ্যে সরকার গঠন করে তাহলে আমি বিস্মিত হবো না। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান ঘটেছে। বৃহস্পতিবার আংশিক ফল ঘোষণায় যখন বিজেপির নাটকীয় উত্থানের খবর আসতে থাকে তখন চন্দন মিত্র এ কথা বলেন।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি।

পশ্চিমবঙ্গ এক সময় দীর্ঘদিন ধরে ছিল বামপন্থিদের শক্ত ঘাঁটি। তাদের কাছ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সুরক্ষিত দুর্গে পরিণত হয় পশ্চিমবঙ্গ। সেই রাজ্যে এবার দম্ভভরে নিজেদের উপস্থিতি পাকা করছে বিজেপি। এ রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে ৪২টি আসন আছে। এর মধ্যে ২২টির মতো আসনে এগিয়ে আছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি প্রায় ১৯ টি আসনের কাছাকাছিতে এগিয়ে আছে। আর ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস একটি আসনে এগিয়ে।  

এ নির্বাচনের ফলের বিষয়ে চন্দন মিত্র যে মন্তব্য করেছেন তা তার একান্তই ব্যক্তিগত এবং দলের বক্তব্য নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ২টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। আর তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছিল ৩৪ আসনে। কিন্তু এবার তৃণমূলের কাছ থেকে কমপক্ষে ১৭টি আসন ছিনিয়ে এনে নিজেদের দল ভারি করছে বিজেপি। ফলে তারা এগিয়ে আছে ১৯ আসনে।  

নির্বাচনী ফল অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ থেকে বামপন্থিরা একেবারে নির্মূল হয়ে গেছে। তাদের যা অবশিষ্ট ছিল তা তৃণমূল কংগ্রেসের পরিবর্তে সমর্থন দিয়েছে বিজেপিকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মাসুদ
২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:০৮

শহীদ, এটা আপনার উচ্চাভিলাষী মন্তব্য। বাংলাদেশে নতুন অপশন আপাতত উঠে আসার কোনো লক্ষণ নেই।

শহীদ
২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৫:০২

পরিবারতন্ত্রের সর্বশেষ ব্যক্তি নেতৃত্ব প্রদানে অক্ষম হলে আপনা আপনি পরিবারতন্ত্রের বিলোপ হয়। মোদির এ টার্ম খুব ভালভাবে যাবে না। কংগ্রেস দাফন হলেও, কেজরিওয়ালরা মুখ্যমন্ত্রিত্ব পেয়ে তুষ্ট থাকলেও এবং কি আঞ্চলিক নেতা গুলো ক্ষমতা ভাগাভাগিতে হেরে গেলেও নতুন নেতা উঠে আসবে বিজেপির প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টি এবং বিএনপি একই সময়ে বিলীন হলেও, গণসাধারণ মানুষের কাছে জামায়াতের আবেদন কম হলেও নতুন নেতৃত্ব উঠে আসবে অপশাসন মোকাবেলায়।

Kazi
২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:৫৪

When bad times come to a party they lose their judgment, zealously support bad decisions, know to themselves.

অন্যান্য খবর