× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার

সর্বহারা পার্টির পরিচয়ে চলছে চাঁদা দাবী

অনলাইন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার, ৩:৫৭

কথিত সর্বহারা পার্টির নাম ব্যবহার করে ঝিনাইদহ প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাছে গনহারে চাঁদাদাবী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে জনৈক বিপ্লব পরিচয় দিয়ে ০১৮৬২-৮১৭৪৯৩ নাম্বার থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করা হয়। চাঁদা না দিলে কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্ত্রী ও সন্তানদের অপহরণ করে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ আখতারুজ্জামান বলেন, অনেকের কাছেই চাঁদা দাবী করে মোবাইল করা হচ্ছে বলেও তিনি শুনেছেন। প্রান ভয়ে অনেকেই নিরবে চাঁদা দিচ্ছেন কিন্তু মুখ খুলছেন না। তিনি তাদেরকে আইনী সহযোগিতা নিতে বলেছেন। জানা গেছে ঝিনাইদহ শিক্ষা অফিসের এডিপিও লক্ষন কুমার, সাবেক অফিস সহকারী আইনাল হক ও অফিস সহকারী দেবুসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীর কাছে চাঁদা দাবী করা হয়েছে।

সাবেক অফিস সহকারী আইনাল হক জানান, তারে কাছে চরমপন্থি সংগঠন সর্বহারা পার্টির বিপ্লব পরিচয় দিয়ে চাঁদা চাওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে সন্তানদের হত্যার হুমকীও দেয়া হচ্ছে। শিক্ষা বিভাগ ছাড়াও অনেক সরকারী অফিসে চাঁদা চেয়ে ফোন করা হচ্ছে। এর আগে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক দপ্তরের নাজির ও অফিস সহকারীদের ফোন করে যুগ্ম সচিব পরিচয় দিয়ে চাঁদা চাওয়া হয়। ঝিনাইদহ সাব রেজিষ্টার মৃত্যুঞ্জয়ী শিকারীসহ জেলার সব উপজেলার হিসাব রক্ষন অফিসে চাঁদা চাওয়া হয়েছিল। তারা থানায় জিডি করলেও অপরাধীদের সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তবে পুলিশের একটি সুত্র জানায় দক্ষিনাঞ্চলের কোথাও চরমপন্থি দলের অস্তিত্ব নেই। কোন গ্যাং গ্রুপ ঈদ সামনে করে আতংক সৃষ্টি ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার জন্য এহেন অপকর্ম করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান বলেন, এ বিষয়ে তাদের কাছে এপর্যন্ত কেও কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nixon
২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৪০

অভিযোগ করবার কি আছে ? বেপারটা বুঝতেই পারছেন দারোগাবাবু। সংবাদে ফোন নমবরটা তো দেয়াই আছে। একটু খোঁজ খবর নিলেই তো পারেন বাবু।

অন্যান্য খবর