× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার
বিবিসির বিশ্লেষণ

৫ কারণে জয় বাংলাদেশের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৩ জুন ২০১৯, সোমবার, ১০:৫৫

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাঁচ কারণে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এগুলো হলো বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, সাকিব-মুশফিকের জুটি, লোয়ার অর্ডারের দৃঢ়তা, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেয়া ও দলীয় পারফরমেন্সে পার্থক্য। অনলাইন বিবিসির বিশ্লেষণে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের নৈপুণ্য। দক্ষিণ আফ্রিকাকে অতি সম্মানের সঙ্গে হারিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন সাকিব আল হাসান। শুরু থেকেই বেশ কিছু জায়গায় বাংলাদেশের থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়তে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা।

উড়ন্ত সূচনা: সৌম্য সরকারের ব্যাটিংই যেন দলকে আত্মবিশ্বাস এনে দেয়। তিনি ৩০ বলে ৯টি চার মারেন।
মোট রান করেন ৪২। এতে উজ্জীবিত হন অন্যরা।

সাকিব-মুশফিকের জুটি: ৭৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুটি বাঁধেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম এবং সাকিব আল হাসান। এ দুজন গড়ে তোলেন ১৪২ রানের বড় জুটি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৪তম ফিফটি করেন মুশফিক। আর ক্যারিয়ারের ৪৩তম অর্ধশত করেন সাকিব। এ সময় দক্ষিণ আফ্রিকার কোন পরিকল্পনাই কাজে আসে নি। কিছু সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগেনি ফিল্ডিং ব্যর্থতায়।

লোয়ার অর্ডারের দৃঢ়তা: সাকিব-মুশফিক দুজনেরই সেঞ্চুরি করার সুযোগ ছিল। কিন্তু অল্প ব্যবধানে এ দুজন আউট হলে খানিকটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সে চাপ সামাল দেন আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মো: মিঠুন এবং মোসাদ্দেক সৈকত - দুজনেই যথাক্রমে ২১ ও ২৬ রান করে মাহমুদুল্লাহকে সমর্থন করেন। সে কারণেই শেষ ১০ ওভারে ৮৬ রান তুলতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। এতে করে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসের ও এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ স্কোর করতে সমর্থ হয় মাশরাফির দল।
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেয়া: ভালো ফর্মে থাকা কোয়েন্টিন ডি কক তার সতীর্থ ব্যাটসম্যানের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে যান। মার্করামের সাথে ডু প্লেসির জুটিটাও জমে উঠেছিল। মার্করাম যখন পঞ্চাশ এর পথে, সে সময় ৫ রান দূরে থাকতে তাকে বোল্ড করেন সাকিব। ভাঙেন ৫৩ রানের জুটি। ডু প্লেসিকেও যখন ভয়ংকর মনে হচ্ছিল, সেসময় ৬২ রানে তাকে ফেরত পাঠান মিরাজ। এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট তুলে নেন বাংলাদেশের বোলাররা। মুস্তাফিজ ৩টি, সাইফুদ্দিন ২টি ও সাকিব-মিরাজ নেন একটি করে উইকেট।

দলীয় পারফরম্যান্সে পার্থক্য: বাংলাদেশ এ ম্যাচে পুরো দল হিসেবে খেলেছে। কারো একক পারফরম্যান্সে উপর তারা নির্ভর করেন নি। মুশফিক-সাকিবের ফিফটির সাথে, রিয়াদ ও সৌম্যর অবদান। বোলিংয়ে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন ৪ জন মিলে। এ দিকটাতেই পিছিয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলে দুটি পরিবর্তন এনেও পুরো দল হিসেবে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ডু প্লেসি ফিফটি করলেও অন্যরা সেট হয়েও আউট হয়েছেন।
বোলিংয়ে পেহলাকায়ো, তাহির ও মরিস দুটো করে উইকেট পেলেও রান আটকাতে পারেননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর