× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসকদের বিক্ষোভ অনশন, পুলিশের লাঠিচার্জ

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৫৩

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার পদত্যাগের দাবিতে গতকাল দুপুর থেকে তার কার্যালয়ের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেন। এর আগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গেলে চিকিৎসকদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
চিকিৎসকরা জানান, নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গতকাল সকালে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনকালে তাদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আমরণ অনশনে যেতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করতে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপও কামনা করেন। এদিকে বিকাল সোয়া ৩টার দিকে ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া তার কার্যালয়ের প্রবেশদ্বারের বাইরে অনশনরত চিকিৎসকদের সামনে এসে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল তারা কোনো অনিয়ম খুঁজে পায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ১০ই জুন থেকে ভাইভা শুরু হবে। তবে এ সময় বঞ্চিত চিকিৎসকরা নানা উদাহরণ টেনে নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করতে থাকেন। এরপর অন্দোলনরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলা শেষে পুলিশি প্রহরায় ভিসি চলে গেলেও বিক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা ব্যানার টাঙিয়ে বসে পড়েন। তাদের ঘিরে রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োজিত আনসার সদস্যরা।

আন্দোলনকারীরা বলেন, অনিয়মের কারণে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানাতে তাদের একটি প্রতিনিধি দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। উল্লেখ্য, বিএসএমএমইউতে ২০০ চিকিৎসক নিয়োগের জন্য গত ২০শে মার্চ অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রকাশিত হয়। ১৮০ জন চিকিৎসা কর্মকর্তা ও ২০ জন দন্তচিকিৎসক পদে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৫৭ জন অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় এক পদের বিপরীতে চারজন উত্তীর্ণ হন। এ হিসেবে ৭১৯ জন মেডিকেল অফিসার ও ডেন্টালের ৮১ জন মিলে মোট ৮২০ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। চূড়ান্ত নিয়োগের লক্ষ্যে তাদের ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু ফল ঘোষণার পরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ‘সুযোগবঞ্চিত’ চিকিৎসকরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দেয়ালে ‘ ছেলের জন্য সাজানো নিয়োগ, লজ্জা, ভিসি লজ্জা; ভিসির পদত্যাগ চাই; অর্থের বিনিময়ে এ নিয়োগ মানি না, মানবো না; প্রশ্নফাঁসের এ নিয়োগ কাদের জন্য; আমাদের সংগ্রাম চলছে, চলবে’ স্লোগান লেখা পোস্টার সেঁটে দেন। আজ ১০ই জুন অনুষ্ঠিতব্য মৌখিক পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গতকাল সকালে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ভিসির কার্যালয়ের সামনে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর