× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার

দুদক পরিচালকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ ডিআইজি মিজানের

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৫৪

নারী কেলেঙ্কারি, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশের ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে এবার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে। ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত করতে গিয়ে তার কাছে ঘুষ দাবি করেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির। কয়েক দফায় তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন এই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে গতকাল একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে  তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দুদক। আজকের মধ্যে এই কমিটি দুদকের মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দুদক।
অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য ওই বছরের ২৫শে এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ ছয়টি সংস্থায় চিঠি দেয় দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর স্বাক্ষরে বিভিন্ন সংস্থায় তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়া হয়। ওই চিঠি অনুযায়ী ডিআইজি মিজানকে গত বছরের ৩রা মে দুদক কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শুরুতে ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এটি তদন্ত করলেও পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্ব পান দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির। ডিআইজি মিজানকে অভিযোগ থেকে রক্ষা করার কথা বলে তার কাছে অর্ধলক্ষ টাকা দাবি করেন তিনি।

ওই দাবি অনুসারে গত ১৫ই জানুয়ারি মিজানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা নেন এনামুল বাসির। রমনা পার্কে এই টাকা লেনদেন হয়। পরবর্তীতে এনামুল বাসিরকে আরও ২৫ লাখ টাকা দেয়ার কথা হয়। সবমিলিয়ে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন এনামুল বাসির। এছাড়া সন্তানকে স্কুলে আনা-নেয়ার জন্য একটি গাড়িও দাবি করেন তিনি।  এমনকি ঘুষের টাকা বেনামে ব্যাংকে রাখার জন্য ডিআইজি মিজানের সঙ্গে পরামর্শ করেন এনামুল বাসির। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুদকের প্রতিবেদনে ডিআইজি মিজানকে রক্ষা করতে পারেননি তিনি। তাই গত ৩০শে মে পুলিশ প্লাজায় ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর দোকানে গিয়ে এনামুল বাসির জানান, প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। সেখানে তাকে রক্ষা করতে না পারলেও ‘কিছু পয়েন্ট’ রেখেছেন বলে জানান। দুদকের পরিচালক এনামুল বাসিরের ঘুষ দাবি, ঘুষ গ্রহণ সংক্রান্ত অডিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে সরবরাহ করেন ডিআইজি মিজান। এতে দুজনের এ সংক্রান্ত কথোপকথন রয়েছে।

এক নারীকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে আলোচনায় আসনে ডিআইজি মিজান। এই অভিযোগে গত বছরের ৯ই জানুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের (ডিআইজি) পদ থেকে মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Rose
১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৩২

কার উপর এদেশের মানুষ বিশ্বাস রাখবে । হে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের উপর আপনার গায়েবি রহমত নাজিল করুন ।

রিপন
১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৫৯

মশহুর চোরের উপরও বাটপার রহিয়াছে ইহাই ডিআইজি প্রমাণের চেষ্টা করিতেছেন। তিনি কী করিয়া স্বপদে বহাল থাকিতেছেন এতকিছুর পরেও, তাহারই তদন্ত হওয়া সর্বাগ্রে কর্তব্য।

Kazi
৯ জুন ২০১৯, রবিবার, ৭:০৬

Corrupt Mizan fabricated the allegations to escape investigations

মোঃ কামরুল হাসান
৯ জুন ২০১৯, রবিবার, ১২:৪৭

ডিআইজি মিজান আগেই বিভিন্ন অপকর্মের জন্য বিখ্যাত হয়েছেন। এখন দুদকের রিপোর্ট পক্ষপাত করার জন্য একজন পরিচালককে ৪০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছেন, সেই কথা শুধু স্বীকারই করেননি আবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে পরিচালক ও ডিআইজি মিজানের মধ্যকার ফোনালাপের অডিও সরবরাহ করেছেন। তারমানে ডিআইজি মিজান শুধু দুর্নীতিই করেননি, দুর্নীতি তদন্তেও বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন। দুদক পরিচালক এনামুল বাসির তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে, অবশ্যই তার শাস্তি হোক। তবে অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্য তেমন কিছুই হলো না এই মহান পুলিশ কর্মকর্তার। বরঞ্চ এই আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে আছেন। আর কি কি করলে, এই মহান পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। নাকি উনার খুঁটির জোরের কাছে প্রশাসন অসহায়।

অন্যান্য খবর