× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার

ওসি মোয়াজ্জেমের পালানো আইনের শাসনের জন্য অশনিসংকেত -টিআইবি

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৫৬

নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডে সোনাগাজী থানার সাবেক বিতর্কিত ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। রোববার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলছে, নুসরাত হত্যাকাণ্ডে ওই পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতে পুলিশ কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা নিয়েই প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটা রীতিমতো অশনিসংকেত বলে মনে করে টিআইবি। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিবৃতিতে বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে আমরা দেখতে পাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাবেক ওসির বিরুদ্ধে গত ২৭শে মে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তা ফেনীর পুলিশ সুপার কার্যালয় হয়ে রংপুর রেঞ্জে পৌঁছাতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লেগে যায়। এখন আবার রংপুর রেঞ্জ বলছে, কাজটি বিধি মোতাবেক হয়নি। এই সুযোগে ওসি মোয়াজ্জেম ‘পালিয়ে গেছেন’ বলা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে যেখানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়া আটক করাই স্বাভাবিক, সেখানে বহুল আলোচিত একটি মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে এধরণের দৃশ্যমান ব্যর্থতার ফলে যৌক্তিকভাবেই নুসরাত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতে পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর দেয়া অভিযোগপত্র থেকে সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসির অব্যাহতিও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, নুসরাত হত্যাকাণ্ডকে ‘আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা’ এবং ‘হত্যাকারীদের সুরক্ষা প্রদানে যোগসাজশের’ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও অভিযোগপত্রে ওসি মোয়াজ্জেমকে অব্যাহতি দেয়ার কোন যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে কি না, বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য হওয়ায় তাকে দায়মুক্তি দেয়া হচ্ছে কি না আমরা সেই প্রশ্ন তুলেছিলাম।
এখন তার পালিয়ে যাওয়ার খবরে আমাদের সেই আশঙ্কা আরো জোরালো হলো। ঘটনাপ্রবাহ থেকে তাকে কার্যত পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্ন উঠা খুবই স্বাভাবিক।

নুসরাত হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আবারও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা গভীর ও উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এমন অবস্থায় পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ভূলুণ্ঠিত হবে। তাই ওসি মোয়াজ্জেমকে দ্রুত আটক করে বিচারের মুখোমুখি করার পাশাপাশি নুসরাতের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় তদন্তের বিকল্প নেই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Rose
১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ৯:৩৭

সবই সম্ভব এ দেশে ।

Kazi
৯ জুন ২০১৯, রবিবার, ৬:৫৭

This is dangerous and it is in practice in Bangladesh. Law enforcement authority are in many ways getting advantage.

Kamal
৯ জুন ২০১৯, রবিবার, ১১:০৬

This is tecnic to save the local leader! This is Digital style.

অন্যান্য খবর