× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার

সুধারামে ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টা, দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে | ১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ১০:০৫

 নোয়াখালী সদর উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আলমকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে হাইব্রিড আওয়ামী লীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে অর্ধশত আহত করে। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৪ জনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ঘটনা চলাকালে ফয়সল বাহিনীর নেতৃত্বে আবুল কালাম কালা (৩৩), মনোয়ার হোসেন মানু (৪২), সোহাগ (২৮), ইমরান (২২), আনোয়ার হোসেন (৩২), কালা (২০), লিটন (৩২), মুসলিম মুসা (৩৪), তারেক (২৭), কাশেম (৪৭), হারুন (৩৮), মোকাররম (৫৫), হালিম (৪২), সবুজ (২০), পিনু (৩৬), বোরহান (৩২), আলম (৩০), সেলিম (৪৫), সবুজ (২২), শরীফ (২০), আলমগীর (২৫), অজি উল্যা (২৮), শরীফ (২৪) এর নেতৃত্বে ২ ডজন সন্ত্রাসী লাঠি, মিরিচ, রামদা, হকিস্টিক নিয়ে হামলা চালালে উভয় গ্রুপের ৬০ জন আহত হয়। হামলায় আহতরা হলেন- মো. হানিফ মাঝি (৪০), আশ্রাফুল আলম সুমন (২৮), নুরুল হক (৪৫) ও অলি উল্যা (৫৮), নুরুল আলম চেয়ারম্যান (৩৮), মাকসুদ আলম, ইফতেখার আলম রিমন, আবুল বাশার, রুবেল, আবদুস সহিদ, মো. জাবেদ, মো. হারুনুর রশিদ, নুরুজ্জামান ও মো. নুরুল আমিন সহ অনেকেই। বাকিদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা চলছে। গতকাল সুধারাম মডেল থানা পুলিশের তদন্তকারী এসআই বিপুল কুমার ঘোষ ও ভিকটিম মোরশেদ আলম জানান, রাত সাড়ে ১১টায় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আলম নিজ বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠকে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসী মোকাররমের ছেলে মো. ফয়সালের নেতৃত্বে সঙ্গবদ্ধ সন্ত্রাসীরা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চেয়ারম্যানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ক্যাডারদের ধাওয়া করলে সন্ত্রাসীরা স্থানীয়দের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
এরপর সন্ত্রাসীরা ধাওয়া খেয়ে চেয়ারম্যান এবং স্থানীয়দের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগিয়ে দেয়। আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন সন্ত্রাসী মোকাররম এবং তার ছেলে ফয়সাল বাহিনী চরমটুয়াকে ডাকাতি ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি উদ্যোগ নিলে সন্ত্রাসীরা তাকে একাধিকবার গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন। সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুল বাতেন মৃধা মানবজমিনকে জানান ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আলমের ছোট ভাই মো. মোরশেদ আলম বাদী হয়ে ২৪ জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেছেন। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি। এ নিয়ে শাসক দলের ২ গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।



অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর