× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার

গিরিশ কারনাড আর নেই

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক | ১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ১২:৪১

নাট্য ব্যক্তিত্ব গিরীশ কারনাড আর নেই। সোমবার ভোরে বেঙ্গালুরুর লাভেলি রোডের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। নাটক ছাড়াও সিনেমা ও সাহিত্য জগতেও ছিল তার অবাধ বিচরণ। বার্ধক্যজনিত কারণেই মৃত্যু হয় তার। মারাঠি নাটকে তিনি ছিলেন অন্যতম কান্ডারি। এছাড়া একাধিক সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা ও পরিচালনা করেছিলেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে অনেক কন্নড় ও মারাঠি ছবি। চিত্রনাট্য ও পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমায় অভিনয়ও করেছিলেন গিরীশ কারনাড। ১৯৭০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সংস্কার’ ছিল তার ডেবিউ ছবি। একে একে ‘নিশান্ত’ (১৯৭৫), ‘মন্থন’ (১৯৭৬), ‘স্বামী’ (১৯৭৭), ‘পুকার’ (২০০০)-এর মতো ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ইকবাল’-এ তার অভিনয় পছন্দ করেছিলেন দর্শক। সালমান খানের সঙ্গে ২০১২ সালে ‘এক থা টাইগার’ এবং ২০১৭ সালে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’তেও গিরিশের অভিনয় দেখেছেন দর্শক। অন্যদিকে টেলিভিশনেও গিরিশ সমান স্বচ্ছন্দ ছিলেন। ১৯৮৬-’৮৭তে জনপ্রিয়  টিভি ধারাবাহিক ‘মালগুডি ডেজ’-এ অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেরা পরিচালক হিসেবে ১৯৭১ সালে কন্নড় ছবি ‘ভামসা ভ্রিক্ষা’-র জন্য গিরিশ পেয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার। এছাড়া আরও নয়টি জাতীয় পুরস্কার রয়েছে তার ঝুলিতে। এর মধ্যে কোনোটা চিত্রনাট্যকার হিসেবে, কোনোটা আবার পরিচালক হিসেবে। পেয়েছেন চারটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও। পদ্মশ্রী এবং  পদ্মভূষণ পেয়েছিলেন গিরিশ। ১৯৩৮ সালের ১৯শে মে তৎকালীন বম্বে শহরে জন্ম হয়েছিল এ খ্যতিমানের। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তার প্রাথমিক পড়াশোনা কর্নাটকে। অঙ্ক এবং সংখ্যাতত্ত্বে স্নাতক হওয়ার পর রাজনীতি এবং অর্থনীতি নিয়ে অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সাল থেকে কন্নড় ভাষায় লেখক হিসেবে গিরিশ পরিচিতি পেতে শুরু করেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর