× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

বদরগঞ্জে ভিজিএফ আত্মসাৎ ৭ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি ইউপি চেয়ারম্যান

বাংলারজমিন

বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৩২

রংপুরের বদরগঞ্জে ভিজিএফের চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করার ঘটনায় থানায় এক সপ্তাহ আগে মামলা হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ মূল আসামি কালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিককে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফ আলী বলেছেন, ওই মামলায় এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে রংপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিক গা-ঢাকা দেয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। তবে এলাকার লোকজনের দাবি, মানিক এলাকায় রয়েছেন। তিনি নিয়মিত পৌর শহরের মানিক মোটরস নামে নিজ প্রতিষ্ঠানে বসে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ঈদুল ফিতর ও রমজান উপলক্ষে কালুপাড়া ইউনিয়নে চার হাজার ৬১৭ জন দুস্থ ও গরিব মানুষের মাঝে ৬৯ টন ২৫৫ কেজি ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। কাগজে কলমে ৩১শে মে ওই চাল বিতরণ দেখান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিক। কিন্তু তিনি ভুয়া নাম দিয়ে ১৯৭ বস্তা (৫ টন ৯১০ কেজি) চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে তার পৌর শহরের কলেজিয়েট সংলগ্ন মালিকানাধীন তছলিমা নামে চালকলে মজুত করেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে ৩রা জুন দিবাগত মধ্যরাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. নবীরুল ইসলাম সেখানে অভিযান চালিয়ে ওই চাল উদ্ধার করে উপজেলা খাদ্যগুদামে রেখে দেন। এ ঘটনায় পরদিন ৪ঠা জুন বিশেষ ক্ষমতা আইনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায় বদরগঞ্জ থানায় ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মানিকসহ দুই জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক এজাহারভুক্ত গোবিন্দ সরকার (৪২) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও মামলার বাদী বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, ‘ভিজিএফের চাল কালো বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করার ঘটনায় ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি। তাকে গ্রেপ্তার ও বিচার করার দায়িত্ব পুলিশ ও আদালতের। এখানে আমার আর করার কিছুই নেই। এ বিষয়ে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযুক্ত ওই চেয়ারম্যানকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে। মামলার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর