× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

শেরপুরে অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত পেলেন যাত্রীরা

বাংলারজমিন

শেরপুর প্রতিনিধি | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৩৭

শেরপুরে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অতিরিক্ত বাস ভাড়া ফেরত পেলেন ঈদ পরবর্তী কর্মস্থলমুখী যাত্রীসাধারণ। গত রোববার রাতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুনের নেতৃত্বে শেরপুর থেকে ঢাকাগামী চেম্বার-২ কাউন্টারের নৈশপরিবহনসহ বিভিন্ন বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত বাস ভাড়া ফেরত পান যাত্রীসাধারণ। তারা অতিরিক্ত নেয়া ভাড়া ফেরত পেয়ে বেজায় খুশি। তবে সোমবার কোনো কোনো পরিবহনে গোপনে চলছে বাড়তি ভাড়া আদায়ের কাজটি- এমন অভিযোগও উঠেছে। অন্যদিকে যাত্রীসাধারণসহ সচেতন মহল দাবি তুলেছেন প্রশাসন ও বিআরটিএ’র অভিযান আরো কিছুদিন চলমান রাখতে।
বিআরটিএ ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জেলা বাস-কোচ মালিক-শ্রমিক সমিতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দূরপাল্লার সড়কের বাস-কোচগুলোতে এবার ঈদযাত্রী পরিবহনে শেরপুর-ঢাকা রুটে নিয়মিত ভাড়া ৩শ’ টাকার স্থলে ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া শেরপুর-চট্টগ্রামগামী প্রতিনিধি বাসের ভাড়া ৬শ’ টাকার স্থলে ৮শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ার সুযোগে কর্মস্থলমুখী মানুষের দুর্ভোগকে পুঁজি করে শেরপুর-ঢাকাগামী প্রায় প্রতিটি বাস সার্ভিসে ৫শ’ টাকা থেকে ৭শ’ টাকা ও শেরপুর-চট্টগ্রামগামী বাসে ৯শ’ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছিল। ওই অবস্থায় শহরের নবীনগর এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বোরহান উদ্দিন হৃদয় ৬ই জুন ঢাকা যাত্রার উদ্দেশ্যে শেরপুর টেনিস ক্লাব নৈশকোচের টিকিট সংগ্রহ করেন ৭শ’ টাকায়, যা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২৫০ টাকা বেশি।
বিষয়টি তাকেসহ কয়েকজনকে নাড়া দিলে তারা ৬ই জুন বিআরটিএ’র কন্ট্রোলরুমকে অবহিত করেন। এরপর বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলে ওই বাস কর্তৃপক্ষ বোরহান উদ্দিন হৃদয়সহ অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত নেয়া ২৫০ টাকা করে ফেরত দিয়ে দেন। এদিকে খবর পেয়ে রোববার মধ্যরাতে জেলা বিআরটিএ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সঙ্গে নিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন শহরের রঘুনাথ বাজার এলাকায় নৈশকোচগুলোতে অভিযান চালান। এ সময় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে বাসের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বাড়তি ভাড়া নেয়ার ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বাস কাউন্টারে কর্মরত যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে বাধ্য করেন। যাত্রীদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা বাড়তি ভাড়া নেয়া হয়েছিল কাউন্টারগুলো থেকে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা বিভিন্ন কাউন্টারে অভিযান চালাই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পরে বাড়তি টাকা আমরা যাত্রীদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করি। এ ব্যাপারে প্রশাসন তৎপর রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর