× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে বিএনপি- ওবায়দুল কাদের

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:৩০

আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীরা ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখতে থাকেন। তাহলে কিভাবে সফল হবে। অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি,ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসবকথা বলেন। একইসঙ্গে তিনি সংসদ নিয়ে বিএনপির স্ববিরোধিতা পরিষ্কার বলে মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা কিভাবে আন্দোলন করবেন। পার্টির মহাসচিব নির্বাচিত হয়েও শপথ নিলেন না। তার জায়গায় আবার বিএনপির জেলা সভাপতি উপ-নির্বাচন করছেন। এই নীতি নিয়ে যারা চলেন তারা অতীতে ব্যর্থ হয়েছে, ভবিষ্যতে কিভাবে সফল হবে?
রাজনৈতিক পরিবেশ না থাকায় বিএনপির নেতারা ঈদে এলাকায় যেতে পারেনি-এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদে তৃণমূলে নেতাকর্মী কম ছিল কেন আমরা তা খতিয়ে দেখছি। পরিবেশগত কোনো সমস্যা হয়নি। বিরোধীদল কি কোনো অভিযোগ করেছে? এসব ব্যাপারে সবেচেয়ে বেশি অভিযোগ করেন মওদুদ আহমদ। তিনি এবার এলাকায় ছিলেন। তিনি কি কোনো অভিযোগ করেছেন? ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এ সংসদ অবৈধ-এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংসদ যদি অবৈধ হয়, তিনি অবৈধ সংসদের অবৈধ এমপি। যে সংসদ অবৈধ সে সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য তিনি এতো সিরিয়াস হলেন কেনো? সংসদ অবৈধ হলে তিনি কি বৈধ? কোন বৈধতার সূত্রে তিনি সংসদ গেলেন। এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, হারিয়ে যাওয়া বা পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে। সরকারের কোনো দুর্বলতা নেই। কারো প্রতি শৈথল্য দেখানোর সুযোগ নেই। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নূসরাত হত্যার আসামি ওসিকে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিবহন খাতে শৃঙ্খলার অভাব
এদিকে সড়ক ও পরিবহন আইন মালিক-শ্রমিকের অসন্তোষের কারণেই করা যাচ্ছে না বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিবাদ বা আন্দোলন বাজে রকমের হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ অনেক অপমানিত হয়েছেন। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের আন্দোলন রাতারাতি বন্ধ করা যায় না। এ খাতের সঙ্গে আরো অনেক কিছু সংশ্লিষ্ট রয়েছে। শ্রমিকরা ভিন্নমতের ছিলো না। তারা ঐক্যবদ্ধ ছিলো। প্রাথমিকভাবে যুক্তিতর্ক দিয়ে সমাধান করতে দেরি হয়ে গেছে। এটা হয়েছে আমার দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির কারণে। এখন এ বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ আইনের সঙ্গে নতুন কোনোকিছু যোগ করা যায় কিনা। তিনি বলেন, পরিবহন খাতের কাছে সরকার জিম্মি হয়নি। পরিবহন খাতে জনস্বার্থ যাতে জিম্মি না হয়, সে বিষয় সবার সহযোগিতা চেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, এবার সড়ক পরিবহনে দুর্ঘটনার চেয়ে মৃত্যুর হার বেশি ছিল। এবার দুর্ঘটনা হয়েছে ৬৬টি, কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। মূলত ইজিবাইক-সিএনজিচালিত অটোরিকশার কারণেই দুর্ঘটনা বেশি হয়। আর এসব দুর্ঘটনায় গাড়িতে থাকা সবাই মারা যায়। লং রুটে ড্রাইভিং ও রাস্তার পাশে যানবাহন রাখায় দুর্ঘটনাও দুর্ভোগ হয়। তিনি বলেন, এবার রাস্তায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি ছিলো। চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে সন্তোষজনক অবস্থানে যেতে পারিনি। বিআরটিএ এবার ২৫৫টি মামলা করেছে। এর বিপরীতে ৫ লাখ ২০০ টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল রুটে যানজট হয়েছে। এর অন্যতম কারণ লং রুটের গাড়ি ও রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে হোটেলে খাবার খাওয়ার প্রবণতা। এর বাইরে এবারের ঈদে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সড়কে ইজিবাইক নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,ইজিবাইক-সিএনজি বন্ধ করতে হলে আমাদের বিকল্প পথে যেতে হবে। কারণ যারা এসব যানবাহন চালান তারা গরিব মানুষ। আর যারা গাড়িতে চলাচল করে তারা বাধ্য হয়েই করেন। কারণ ঐসব স্থানে যানবাহনের সংকটের কারণে এসব যানবাহনেই চলাচল করতে হয়। আমরা এগুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। তবে হাইওয়েতে ইজিবাইক-সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। সবকিছু বিবেচনা করেই ইজিবাইক বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি। পরিবহন খাতে শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন,সড়কে শৃঙ্খলার সংকট রয়েছে। বেপরোয়া গাড়ি চালক ও বেপরোয়া যাত্রীর জন্য বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এজন্য মিটিং ডাকছি স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেয়া হবে। সড়কে শৃঙ্খলা আনতে না পারলে কোনো পরিকল্পনা কাজে আসবে না। এজন্য শুধু পরিকাঠামো পরিবর্তন করলে হবে না। জনগণের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। আশা করছি আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারবো। রাজধানীতে রাইড শেয়ারিং বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে উবার, পাঠাও-এর মতো ২০ থেকে ২২টি কোম্পানি রাইড শেয়ারিং রয়েছে। রাইড শেয়ারিংয়ের কারণে পরিবহন খাতে অনেকটা সংকট নিরসন হয়েছে। অটোরিকশায় ভাড়া বেশি নেয়ার বা জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। রাইড শেয়ারিং নিয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। কোনো ধরনের জালিয়াতি পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে রাইড শেয়ারিংয়ের নীতিমালা করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আমির
১০ জুন ২০১৯, সোমবার, ১২:০৩

আপনেরাও ফালতু নিরবার্চন থেকে দূরে থাকুন ইতি হাস কাউকে ক্ষমা করে না

অন্যান্য খবর