× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার
কাতার বিশ্বকাপের প্রাক বাছাই

ঘরের মাঠে এবার লাওস পরীক্ষা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৯:৫৩

৬ই জুন লাওসের মাঠে বাংলাদেশ জিতলেও ম্যাচের পারফরম্যান্স কাটাছেঁড়া করলে স্বাগতিকদেরই এগিয়ে রাখতে হবে। অনেক সুযোগ তৈরি করেও বাংলাদেশের পোস্টের সন্ধান পাননি লাওসের খেলোয়াড়রা। কিন্তু অপেক্ষাকৃত কম সুযোগ পেয়েও একটি কাজে লাগানোয় জয়ী দলটির নাম বাংলাদেশ। যদিও ওই ম্যাচ জিতে উৎসবে গা ভাসায়নি বাংলাদেশ, হেরে হতাশায় ডোবেনি লাওসও। কারণ খেলা এখনো শেষ হয়নি। ১৮০ মিনিটের লড়াইয়ের ৯০ মিনিট হয়েছে লাওসের ভিয়েনতিয়ানে, বাকি ৯০ মিনিট ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ টিকে থাকবে নাকি লাওস-তার ফয়সালা হবে আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। সন্ধ্যা ৭টায় ফিরতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ দুটি।
ম্যাচটি নিদেনপক্ষে ড্র রাখতে পারলেও মূল বাছাইপর্বে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ। আর নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় যদি বাংলাদেশ ১-০ গোলে হার দেখে তবে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে (৩০ মিনিট)।
ফিরতি ম্যাচে মাঠে নামার আগে মানসিকভাবে একটু এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ, গাণিতিকভাবেও। লাওসের মাঠে তাদের ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের ঘরে জয় বড় অ্যাডভান্টেজ। এবার ঘরের মাঠে খেলা। সেটাও অ্যাডভান্টেজ। কিন্তু খেলাটা ফুটবল বলেই কোনো কিছু নিশ্চিত নয়। তাই তো বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে ফিরতি ম্যাচের শেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবেন। দুই দলই লাওস থেকে ঢাকায় পা রেখেছে কয়েক ঘণ্টা আগে-পরে। বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে দল নিয়ে ফিরেই বলেছেন, ‘কাজ এখনো শেষ হয়নি।’ আর তার কয়েক ঘণ্টা পর লাওস কোচ সুন্দরতমূর্তী ঢাকায় এসে বলেছেন, ‘এখান থেকে জয় নিয়ে ফিরতে চাই।’ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট পেতে বাংলাদেশের দরকার ড্র। আর লাওসের চাই একাধিক গোলের জয়। এই সমীকরণটাই মনস্তাত্ত্বিকভাবে এগিয়ে রাখছে জেমি ডে’র শিষ্যদের। তবে ড্র নয়, বাংলাদেশ জয়ের জন্যই খেলবে। গতকাল বাফুফে ভবনে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া পরিষ্কার বলে গেছেন তারা জয়ের জন্যই নামবেন। আর জিততে হলে ভিয়েনতিয়ানের চেয়েও ভালো ফুটবল খেলতে হবে ঢাকায়। কারণ, ওই ম্যাচে প্রথমার্ধটা খুব খারাপ কেটেছে বাংলাদেশের। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য বাংলাদেশ ভালো খেলে ম্যাচটি বের করে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও ওসব এখন অতীত ভাবছেন দু’দলই। ঢাকার ৯০ মিনিটের লড়াইয়ের পরই একটি দলকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট ধরিয়ে দেবে এএফসি। বাছাইয়ে এশিয়া অঞ্চলের শীর্ষ ৪০ দল আট গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রতি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি দল। রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ম্যাচে মুখোমুখি হবে দলগুলো। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং সেরা চার রানার্স-আপ বাছাই পর্বের পরবর্তী ধাপে খেলার সুযোগ পাবে। আর প্রাক বাছাই থেকে ছিটকে যাওয়া আরেক দলকে দেবে বছর আড়াইয়ের জন্য বিশ্রাম। বাদ পড়া দলটি যে ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাই শুরুর আগে ফিফা ও এএফসির কোনো ম্যাচ খেলারই সুযোগ পাবে না। ধারে-ভারে বাংলাদেশ ও লাওস কাছাকাছি। লাওস ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৮৪ লাওস, বাংলাদেশ ১৮৮। র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকলেও দুই দলের অতীত লড়াইয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। এর আগে চারবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দেশ। বাংলাদেশ জিতেছে দুটি, লাওস একটি। একটি ম্যাচ হয়েছে ড্র। বেশি জয়, সর্বশেষ ম্যাচে জয়। তার পর এ খেলাটি ঘরের মাঠে-ম্যাচ শুরুর আগে বাংলাদেশই যে এগিয়ে থাকছে ফেভারিট বিবেচনায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর