× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার

সাভারে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, আটক ১

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে | ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, ৮:২৯

সাভারে ভুল চিকিৎসায় গর্ভের সন্তানসহ এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় গতকাল সকালে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেয়া হলে হাসপাতালটির বিপনন কর্মী সামসুন্নাহারকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে গত সোমবার বিকেলে সাভার থানা স্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত পলাশ হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক প্রা. লিমিটেডে ওই নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত নারীর নাম তানিয়া খাতুন (২০)। সে স্বামী আজিজুল হাকিমের সাথে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী এলাকার সাত্তারের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি তৈরী পোশাক কারখানায় কাজ করতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটককৃত সামসুন্নাহার মাদারিপুর জেলার সদর থানার পাঁচখোলা গ্রামের গোলাম হোসেনের স্ত্রী। সে বেসরকারি এনজিও ব্র্যাকের স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে চাকরির পাশাপাশি পলাশ হাসপাতালে রোগী সরবরাহ করতেন। পলাশ হাসপাতালের সিনিয়র নার্স মোসা. রুবি খানম বলেন, গত সোমবার দুপুরে তানিয়া নামে একজন গর্ভবতী নারী প্রসব ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে আসেন।
এসময় আমরা তার ফিটনেস ও যাবতীয় পরীক্ষা করিয়ে অপারেশন থিয়েটারে পাঠাই। সেখানে হাসপাতালের মালিক এবং সিজারিয়ানের সার্জন ডা. সৈয়দ মোকাররম হোসেন পলাশের উপস্থিতিতে এ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক টিটু তাকে অজ্ঞান করার জন্য ইনজেকশন পুশ করেন। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। নিহতের স্বামী আজিজুল হাকিম অভিযোগ করেন, সুস্থ অবস্থায় আমার স্ত্রীকে সিজারের জন্য পলাশ হাসপাতালে নিয়ে যাই। এসময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার অনুপস্থিতিতেই তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী নিস্তেজ হয়ে পড়লে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি আমাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ঢাকা মেডিকেলে আনার পর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা স্ত্রী তানিয়া ও গর্ভের সন্তানসহ মৃত ঘোষণা করেন। এবিষয়ে হাসপাতালের মালিক ডা. সৈয়দ মোকাররম হোসেন পলাশ বলেন, গর্ভবতী নারীর সিজারের জন্য আমরা অপারেশন থিয়েটারে নেই। এসময় তাকে এ্যানেস্থেসিয়া দেয়া হলে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। এ ঘটনায় আমাদের সামর্থ অনুযায়ী চেষ্টার পর প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করি। সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমজাদুল হক বলেন, গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর খবরটি শুনেছি। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনেরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর