× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

প্রকৃতির সান্নিধ্যে

চলতে ফিরতে

নুরুল কবির, বান্দরবান প্রতিনিধি | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৮:৪১

পাহাড়ের কোল ঘেষে মেঘের আনাগোনা, আঁকা-বাকা সর্পিল রাস্তা, নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য পাহাড়ী বাঙ্গালীসহ ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ বসবাস পাহাড় ঘেরা বান্দরবানে। তাই প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য্য কাছে ডাকে পর্যটকদের। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির কন্যা বান্দরবানের সৌন্দর্য্য দেখতে হাজারো পর্যটক ছুটে আসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। কিন্তু এবার ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ব্যাপক সমাগম না ঘটলেও পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে দেখা গেছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবার পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে বেড়াচ্ছে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে। এখানে রয়েছে অসংখ্য ঝিরি-ঝর্ণা, মেঘলার লেক, নজরকারা স্বর্ণ মন্দির, নীলাচল, নীলগিরি, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, বগালেক, রেমাক্রী, নাফাকুম, বড় পাথরসহ সরকারী-বেসরকারী অনেকগুলো পর্যটন কেন্দ্র। চাঁদের গাড়ীতে করে পর্যটকরা ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব পর্যটনকেন্দ্রে।

ফরিদপুর থেকে বেড়াতে আলাউদ্দীন জানান, আমি এবারসহ বান্দরবান দু বার বেড়াতে এসেছি ।
একবার আসলে বার বার আসতে ইচ্ছে করে। এখানের পাহাড়ী ঝর্ণা ও উঁচুনিচু পাহাড়, পাহাড়ের উপর ভেসে বেড়ানো মেঘ সত্যিই দেখার মত। এখানে না আসলে বুজতে পারতাম না বাংলাদেশ এত সুন্দর। এদিকে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উচপে পড়া ভিড় থাকলেও হোটেল মোটেল গুলোতে তেমন একটা ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।  

আবাসিক হোটেল হিলসিটির মালিক দিদার হোসেন জনি বলেন, ঈদের ছুটিতে যে পরিমাণ পর্যটক আসার কথা ছিল সে পরিমাণ পর্যটক আসেনি। বেশির ভাগ হোটেলের সব গুলো কক্ষ বুকিং হয়নি। তবে গতকাল থেকে কিছুটা পর্যটকের সমাগম ঘটছে। পাহাড়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে এ বছর কিছুটা কম হয়েছে। বেশির ভাগই আশ পাশের এলাকা থেকে ঘুরতে এসেছে। তারা পর্যটন স্পট গুলো ঘুরেই রাত্রি যাপন না করে চলে গেছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার জানান, পর্যটকরা যাতে নিরাপদে ভ্রমন করতে পারে সে লক্ষে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াও টুরিস্ট পুলিশ রয়েছে, তারা সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। আর এখানে এসে কোনো পর্যটক যাতে কোনো ধরনে হয়রানির শিকার না হয় সেই দিক সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর