× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার

ফজলের বদলে গ্রেপ্তার সজল এখন কারাগারের ‘কাঠমিস্ত্রি’

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে | ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, ৯:৫৮

বড় ভাইয়ের বদলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি সজল মিয়া (৩৪) এখন কাঠমিস্ত্রির কাজ করেন। গত ৩০শে এপ্রিল গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকেই কারাগারে তাকে এই কাজ করতে হচ্ছে। গতকাল দুপুরে শুনানির জন্য তাকে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে (প্রথম) হাজির করা হয়। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে সজল এ কথা জানান। তিনি বলেন, কোনো দোষ করিনি। আমি আসামি  না। তারপরেও আমি কয়েদি হয়ে কারাগারে আছি।
সজলের এ দাবি ঠিক কিনা তার শুনানির জন্য গতকাল তাকে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে (প্রথম) হাজির করা হয়। কিন্তু আদালত না বসায় তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়। তবে, সজলের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিচারক আজ আবারও তার শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দিতে বলেছেন পেসকারকে। তবে আদালতের পক্ষ  থেকে শুনানির দিনে পুলিশকে তলব করা হয়নি। আদালতের কাঠগড়া থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পথে নিজেকে আবারও নির্দোশ দাবি করেন সজল। তার বক্তব্য, বাদীপক্ষের প্ররোচণায় পুলিশ বড় ভাই ফজলের বদলে তাকে ধরেছে।

উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী সজল মিয়ার বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর ছোটবনগ্রাম পশ্চিমপাড়া মহল্লায়। তার বাবার নাম তোফাজ উদ্দিন। সজলের বড় ভাই সেলিম ওরফে ফজল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক। ফজলের অনুপস্থিতিতেই ২০০৯ সালের ২৮শে আগস্ট মামলার রায় হয়। সেদিন অন্য চার আসামি খালাস পান। দীর্ঘ ১০ বছর পর গত ৩০শে এপ্রিল সজলকে গ্রেপ্তার করে মহানগরীর শাহ মখদুম থানা পুলিশ। ফজল হিসেবেই তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এরপর কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গত ২৬শে মে সজল তার আইনজীবীর মাধ্যমে নিজের মুক্তি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

শাহ্‌ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, তারাও চান না যেকোনো নির্দোষ ব্যক্তি সাজা খাটুক। কিন্তু গ্রেপ্তার আসামি যে ফজল সে ব্যাপারে মামলার সাক্ষীরা এফিডেফিট করে দিয়েছেন। সেটি আদালতে দাখিল করা হয়েছে। তবে আদালতের শুনানিতেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে কে আসল আসামি?

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর