× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার

ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা বাড়লো

এক্সক্লুসিভ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৪ জুন ২০১৯, শুক্রবার, ৯:০৩

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হতে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড আয়ে করমুক্ত সীমা বাড়লো। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগে ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ছিল ২৫ হাজার টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনা প্রদান এবং পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার হাতে পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি হতে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।
বোনাস লভ্যাংশে কোম্পানিকে কর দিতে হবে: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি 
বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করলে সেই কোম্পানিকে বোনাস লভ্যাংশের উপর ১৫ শতাংশ কর প্রদান করতে হবে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই প্রস্তাব করা হয়েছে। এতদিন নগদ লভ্যাংশের উপর কর থাকলেও বোনাস লভ্যাংশ ছিল করমুক্ত। কোম্পানিগুলোকে বোনাসের পরিবর্তে নগদ লভ্যাংশ প্রদানে উৎসাহী করার লক্ষ্যে করের এই প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
কোম্পানির রিজার্ভ বাড়ালে দিতে হবে কর: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইচ্ছে মতো রিজার্ভ বাড়ালেই ওই প্রতিষ্ঠানকে কর দিতে হবে।
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো কোম্পানির আয় বছরে রিটেইনড আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদির সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয় তাহলে যতটুকু বেশি হবে তার উপর ওই কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধান প্রস্তাব করছি।
ব্যাংক থেকে সরকারি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৪৭ হাজার কোটি টাকা: নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে এবার ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে চায় সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি পূরণে প্রতিবছরই দুইভাবে ঋণ নিয়ে থাকে সরকার। এর একটি হচ্ছে বৈদেশিক সহায়তা, অপরটি অভ্যন্তরীণ উৎস। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ঋণ নেয়া হয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ২০১৮-১৯ চলতি অর্থবছরের ২৬শে মে পর্যন্ত সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। যা আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ব্যাংক ঋণ নেয়ার পেছনের অন্যতম কারণ হচ্ছে, ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট থাকা ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের স্বাভাবিক গতি অব্যাহত রাখা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর