× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই

প্রথম পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৯:৪৯

বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ  ওষুধের বিষয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকতেই পারে। তবে এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোগীর কাছে যাচ্ছে কিনা সেটাই উদ্বেগের বিষয়।

গতকাল নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রয়েছে। এ সংবাদটি সম্প্রতি গণমাধ্যমে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।

পাপন বলেন, এখন দেশে ২৩০টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মাসিউটিক্যালস আছে। এর মধ্যে ১৬০টির মত কোম্পানি বাজারে আছে। আর বড়জোর ৩০ থেকে ৪০টি কোম্পানির ওষুধ বাজারে ভালভাবে চলে।
বাকীদের ওষুধ অপ্রচলিত। তিনি বলেন, একেকটি কোম্পানির ৬০০ থেকে ৭০০ রকমের ওষুধ আছে। এসবের মধ্যে কিছু আছে বেশি বিক্রি হয় আর কিছু খুবই কম বিক্রি হয়। যেসব ওষুধ কম বিক্রি হয় সেগুলো একসময় মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। তবে সব কোম্পানির ব্যবসায়িক নীতি অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিপরীতে অন্য ওষুধ দেয় কিংবা টাকা ফেরত দেয়। তবে এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোগীর কাছে যাচ্ছে কিনা সেটাই বড় বিষয়। যদি যেয়ে থাকে তবে সেটি খুবই উদ্বেগের বিষয় হবে বলে মনে করেন তিনি।

নাজমুল হাসান পাপন বলেন, যেহেতু সব কোম্পানি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত নেয়। তাই ফার্মেসি মালিকরা এ ধরনের ওষুধ বিক্রি করার কোন কারণ নেই। বিষয়টি আগে কখনো না আসায় ওষুধ শিল্প সমিতি থেকে এ বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপও এখন পর্যন্ত নেয়া হয়নি বলে জানান তিনি। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কোম্পানিগুলো ধ্বংস করে ফেলে বলেও জানান পাপন।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে এখন মোট চাহিদার ৯৫ থেকে ৯৭ ভাগ ওষুধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়। পৃথিবীর আর কোন দেশে স্থানীয়ভাবে এত বেশি ওষুধ উৎপাদন হয় না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Papon ra bidese sobs
১৭ জুন ২০১৯, সোমবার, ২:০০

Paponra to sobsomoy bides jay . tay oora kicho din USA gie dokane chakri koruk. Onek experience hobe

রিপন
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ১০:২০

মস্তিষ্কে গোলযোগ হলেই এমন উদ্ভট কথাবার্তা বলে রোগী। তদন্ত করে দেখা দরকার বেক্সিমকোর মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ খেয়ে ফেলেছে কি-না লোকটি।

মোহাম্মদ আলী চৌধুরী
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৬:৫৮

মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধসেবনে মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে , আতংকিত হওয়ার কিছু নেই বলটা বিকৃত-মস্তিস্কের পরিচয়।

ছাইদুর
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৫:২৮

আমার নিজের ও ফার্মেসি ছিল কোম্পানি আব্বাকে টকাইয়া অফারে আছে বলে কয়েক লক্ষটাকার ঔষধ দিয়ে গিয়েছিল তাই আমাদের অনেক ঔষধ মেয়াদ চলেগেছিল, তারা বলত ক্রয়ক্রিত ঔষধের ১০% ফেরত নিত। তাইলে আমি বাকীয়া মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধগুলা কই রাখব??

আবুল সাহেব
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ২:০৫

এমন মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔসদ ফার্মেসিতে রাখাই বে আইনি ভুলে এটা চলে যেতে পারে জনগণের কাছে কারন ভুলের উর্ধ্বে কেউই না, আর যখন এটাকে বিক্রয় করা যাবে না তবে কেন দোকানে রাখা?

Mohammad
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ১২:২৩

He is business man. He is not qualified for look after people's interest.

Muhibbullah
১৪ জুন ২০১৯, শুক্রবার, ১০:২১

যতসব পাগোলের প্রলাপ.......ওনারাতো একটু জর বা পেটে ব্যাথা হলেই চলেযান সিংগাপুর। সব সমস্যা সাধারণ জনগণ এর

মাসউদুল গনি
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৯:১৯

তবে এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোগীর কাছে যাচ্ছে কিনা সেটাই উদ্বেগের বিষয়।!!!!! তাহলেতো বলতে হয়, নেশা দ্রব্য কারো কাছে আছে সেটা বড় বিষয় নয়, সে খাচ্ছে কিনা সেটাই উদ্বেগের বিষয়..................

Md rana
১৪ জুন ২০১৯, শুক্রবার, ৭:২৯

পাপন বলেন, আমাদের দেশে এখন মোট চাহিদার ৯৫ থেকে ৯৭ ভাগ ওষুধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়। পৃথিবীর আর কোন দেশে স্থানীয়ভাবে এত বেশি ওষুধ উৎপাদন হয় না। তা হলে ঔষধের দাম এত বেশি কেন।

Kawsar
১৪ জুন ২০১৯, শুক্রবার, ৬:৩১

মানসিক অসুস্থ

ফিদহার
১৪ জুন ২০১৯, শুক্রবার, ১২:০২

আপনাদের তো স্যামসা নাই মরবে তো সাধারন জনগন

অন্যান্য খবর