× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

বাজেটকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে: দুদু

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৫:৩০

প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষকদলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু। শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই বাজেট কৃষক মারার বাজেট। এই বাজেট বড়লোকদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য দেয়া হয়েছে। এই বাজেট গ্রহণযোগ্য নয়। সেই কারণে জনগণ এই বাজেটকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বর্তমান সরকার অনির্বাচিত এবং ব্যাংক ডাকাতির সরকার। এই সরকারের ন্যূনতম অধিকার নেই বাজেট দেয়ার এবং দেশ পরিচালনা করার।
এই সরকারের উচিত অবিলম্বে পদত্যাগ করা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব চেয়ে অবহেলিত এদেশের কৃষক সমাজ। অথচ এই কৃষকরাই এদেশের মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। দেশের অর্থনীতির চাকা তারা সচল রাখে। বর্তমানে যে বাজেট সরকার দিয়েছে তাতে কৃষকদের জন্য সব থেকে নিম্ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বাজেট কৃষক মারার বাজেট। তাই এই বাজেট কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে এবং আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। সেই জন্য আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন।

সাবেক এমপি নূর আফরোজ জ্যোতির সভাপতিত্বে সভায় কৃষক দলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক তকদির হোসেন মোহাম্মাদ জসিম, জামাল উদ্দিন খান মিলন, কেন্দ্রীয় সদস্য জিয়াউল হক পলাশ, অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া রাজশাহী জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৫ জুন ২০১৯, শনিবার, ৬:৪২

বিরোধিতার জন্যই বিরোধিতা হচ্ছে। বাজেটের ত্রুটি কি কি তা সমালোচনা করা উচিত । কালো টাকা সাদা করার রেওয়াজ বিএনপিই শুরু করেছিল। কিন্তু তা অব্যাহত চলবে তা গ্রাহ্য নয়। ব্যাংকের ভর্তুকি এক বার আপদ কালীন গ্রাহ্য হলেও ফি বছর তা রুটিন হতে পারে না। তাতে ব্যাংক গুলি এখন ঠিকে থাকার জন্য চেষ্টাই করছে না। বরং বার বার খেলাপি ঋণ গ্রহীতা সংগ্রহ করে ঋণ মঞ্জুর করে ভাগাভাগি করে নিচ্ছে।

অন্যান্য খবর